নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র যথেষ্ট নয়, উপসাগরীয় দেশগুলোকে স্বনির্ভর হতে বলল কাতার

নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র যথেষ্ট নয়, উপসাগরীয় দেশগুলোকে স্বনির্ভর হতে বলল কাতার
সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত জিসিসি শীর্ষ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রামম্পের সঙ্গে উপসাগরীয়দেশগুলোর প্রধান। ছবি: সংগৃহীত।

উপসাগরীয় দেশগুলোকে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য শুধু যুক্তরাষ্ট্র বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক জোটের ওপর নির্ভর করতে পারে না বরং তাদের আরো স্বনির্ভর হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।

বিজ্ঞাপন

সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে হিলি ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে আন্তর্জাতিক বাহিনীর উপস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত জোট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে নিরাপত্তার জন্য এগুলোই যথেষ্ট নয়।

তিনি বলেন, নিরাপত্তার ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হওয়াই সামনে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র পথ। অংশীদার ও মিত্রদের প্রয়োজন রয়েছে, তবে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য শুধু তাদের ওপর নির্ভর করা সম্ভব নয়।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধে কাতার একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী এবং দেশটি ইরানের ব্যাপক আক্রমণের শিকারও হয়েছে, বিশেষ করে এর জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর।

মধ্যপ্রাচ্যে কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম ঘাঁটি রয়েছে। যুদ্ধ চলাকালীন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি এবং এই অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়ে মার্কিন আক্রমণের জবাব দিয়েছে।

ছয় মাসের সংঘাতের পর শত্রুপক্ষ দুটি একটি অচলাবস্থায় রয়েছে, যেখানে ইরান কৌশলগত হরমুজ প্রণালীতে যান চলাচল ব্যাহত করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে পাল্টা অবরোধ আরোপ করেছে।

এর আগে গত মাসে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে তেহরান সফর করেন। এর আগে হরমুজ প্রণালির দুই তীরের দেশ ইরান ও ওমান অস্থায়ী নৌপথ চালু এবং সমুদ্র থেকে মাইন অপসারণ নিয়ে আলোচনা করছে বলে জানিয়েছিল।

সূত্র: আরবনিউজ

এমএমআর

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন