মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে বড় তেল শোধনাগারগুলোকে চীন ডিজেল ও পেট্রল রপ্তানি সাময়িকভাবে স্থগিত করতে বলেছে বলে জানিয়েছে ব্লুমবার্গ নিউজ।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাতে এ তথ্য দিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।
চীন অপরিশোধিত তেলের নিট আমদানিকারক দেশ। এশিয়ার আরও কয়েকটি বড় অর্থনীতির দেশের মতো তারাও জ্বালানি সরবরাহের জন্য হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে ওই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ আছে। অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের পর (ডিজেল, পেট্রল) এর একাংশ রপ্তানি করে চীন।
বাণিজ্যের তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর সমুদ্রপথে চীনের সরাসরি অপরিশোধিত তেল আমদানির ৫৭ শতাংশ এসেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেইজিংয়ের শীর্ষ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা সংস্থা ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিফর্ম কমিশনের (এনডিআরসি) কর্মকর্তারা তেল শোধনাগারগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে তারা মৌখিকভাবে পরিশোধিত জ্বালানি পণ্য রপ্তানি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। এই নির্দেশনা সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হওয়ার কথা।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, শোধনাগারগুলোকে নতুন কোনো রপ্তানি চুক্তি না করার এবং ইতিমধ্যে চূড়ান্ত হওয়া চালান বাতিলের জন্য আলোচনা করতে বলা হয়েছে। নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে জানতে চাইলে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র এমন সিদ্ধান্তের কথা জানেন না বলে উল্লেখ করেন।
ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, নিয়মিত জ্বালানি রপ্তানি করে এমন চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আছে পেট্রোচায়না, সিনোপেক, সিএনওওসি, সিনোকেম গ্রুপ এবং বেসরকারি শোধনাগার ঝেজিয়াং পেট্রোকেমিক্যাল। স্থগিতের নির্দেশনার বিষয়ে জানতে এএফপি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। তবে তারা কোনো মন্তব্য করেনি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

