ডিপফেক কেলেঙ্কারি বিতর্ক, মেটার কঠোর সমালোচনায় পোলিশ মন্ত্রী

ডিপফেক কেলেঙ্কারি বিতর্ক, মেটার কঠোর সমালোচনায় পোলিশ মন্ত্রী

পোল্যান্ডের ডিজিটাল বিষয়ক মন্ত্রী ক্রিস্তফ গাভকোভস্কি মেটার বিরুদ্ধে সেন্সরশিপের অভিযোগ করেছেন। পোলিশ বিলিয়নিয়ার এবং ইনপোস্টের প্রতিষ্ঠাতা রাফাল ব্রজোস্কার ছবি ব্যবহার করে তৈরি প্রতারণামূলক এআই-নির্মিত বিজ্ঞাপনের সমালোচনা করার পর তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটি সাময়িকভাবে ব্লক করে দেওয়া হলে তিনি এই অভিযোগ তোলেন।

বিজ্ঞাপন

গাভকোভস্কি বলেন, এটি সেন্সরশিপের নিকৃষ্টতম রূপ। তিনি ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মালিক মেটার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে, তারা চুরি করা পরিচয় ব্যবহার করে বিজ্ঞাপন থেকে লাভ করছে এবং এর দায় বেনামী বিজ্ঞাপনদাতাদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে।

পুলিশ পরিবেষ্টিত এবং হাতে হাতকড়া পরা ব্রজোস্কার একটি এআই-নির্মিত ছবি সম্বলিত একটি নতুন প্রতারণামূলক ফেসবুক বিজ্ঞাপনের জন্য মেটার প্রকাশ্যে সমালোচনা করার পরপরই তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটি ব্লক করে দেওয়া হয়। তবে পরে তার অ্যাকাউন্টটি আবারো পুনরুদ্ধার করা হয়।

গাভকোভস্কি বলেন, এই বিতর্কটি একজন ব্যবসায়ীর স্বার্থের ঊর্ধ্বে চলে গেছে। এটি লক্ষ লক্ষ পোলিশ নাগরিকের নিরাপত্তার বিষয়, যারা প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন, ডিপফেক এবং ভুয়া বিনিয়োগের মাধ্যমে তাদের সঞ্চয় হারাতে পারেন, এই ধরনের বিষয়বস্তু প্রদর্শিত হওয়া ঠেকানোর জন্য মেটার কাছে প্রযুক্তি ও সম্পদ রয়েছে।

ব্রজোস্কার স্ত্রী ওমেনা মেনসাহও এর আগে মেটার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছিলেন, কারণ অস্তিত্বহীন বিনিয়োগ প্রকল্পের প্রচারের জন্য তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে ভুয়া বিজ্ঞাপন দিয়েছিল মেটা।

২০২৪ সালে, পোল্যান্ডের তথ্য সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ মেটাকে ব্রজোস্কার ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে বিজ্ঞাপন প্রচার সাময়িকভাবে বন্ধ করার নির্দেশ দেয়, কারণ তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই ডিপফেক সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

এই বছরের শুরুতে, প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনের দায় নিয়ে মেটার সাথে ব্রজোস্কার চলমান বিবাদে একটি পোলিশ আদালত তার পক্ষে রায় দেয়।

সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

এআরবি

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন