ইরানের বিরুদ্ধে চলমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র বাস্তবে কী অর্জন করেছে—এ নিয়ে দেশটির ভেতরেই প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে সক্রিয় যুদ্ধ ও সামরিক চাপের পরও কৌশলগত ফলাফল কতটা এসেছে, তা নিয়ে কংগ্রেসের কট্টরপন্থী রিপাবলিকানদের মধ্যেও আলোচনা শুরু হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন, ইরানের সঙ্গে একটি শান্তিচুক্তির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র যা চায়, তেহরান তার “অনেক কাছাকাছি” পৌঁছে গেছে।
তিনি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসকে আরও বলেন, আলোচনার অগ্রগতি প্রতিদিনই উন্নতির দিকে যাচ্ছে।
তবে একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে সমালোচনাও বাড়ছে। কিছু কট্টর রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা প্রশ্ন তুলেছেন—চলমান সামরিক চাপ ও সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র আসলে কী অর্জন করতে পেরেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে যে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালীর গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বরাবর থাকা ৩৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির মধ্যে ৩০টি এখনও ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এছাড়া ইরানের প্রায় ৭০ শতাংশ ভ্রাম্যমাণ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এখনো অক্ষত আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় তাদের ক্ষেপণাস্ত্র মজুদের প্রায় ৭০ শতাংশই এখনো বিদ্যমান রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই তথ্যগুলো ইঙ্গিত করছে যে সামরিক চাপ ও অভিযানের পরও ইরানের কৌশলগত সক্ষমতা পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি, বরং উল্লেখযোগ্য অংশ এখনও কার্যকর অবস্থায় রয়েছে।
সব মিলিয়ে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য পূরণ কতটা হয়েছে—এ প্রশ্ন এখন ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক অঙ্গনে আরও জোরালো হচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


