ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে যেভাবে উত্থান হলো ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে যেভাবে উত্থান হলো ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের
ছবি: সংগৃহীত।

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের কুসরা গ্রামে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের অবরোধের ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরা। তাদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো হলো—

বিজ্ঞাপন

ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী বলতে ইসরাইলের এমন নাগরিকদের বোঝায়, যারা অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবৈধভাবে বসবাস করেন। আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতেও তারা এসব বসতি অবৈধ হিসেবে বিবেচিত।

• ১৯৬৭ সালের জুন মাসে ছয় দিনের যুদ্ধে পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম ও গাজা উপত্যকা দখলের পর ইসরাইল এসব এলাকায় অবৈধভাবে বসতি নির্মাণ শুরু করে।

• বর্তমানে, অধিকৃত পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেম জুড়ে বিস্তৃত ১৫০টি অবৈধ বসতি এবং ১২৮টি চৌকিতে ৭ লাখেরও বেশি বসতি স্থাপনকারী বাস করে, যা ইসরাইলের মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশ। ২০০৫ সালে ইসরাইল গাজার বসতিগুলো ভেঙে দেয়।

• ইসরাইল সরকার প্রকাশ্যে দীর্ঘদিন ধরে এসব বসতি নির্মাণে অর্থায়ন করে আসছে।

• ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ অধিকৃত পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের বছরে প্রায় ৫৬ লাখ ডলার দেয়। পশ্চিম তীরের এরিয়া সি অঞ্চলে—যা পুরো পশ্চিম তীরের ৬০ শতাংশেরও বেশি এবং সম্পূর্ণভাবে ইসরাইলি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে—ফিলিস্তিনিদের নির্মাণকাজ পর্যবেক্ষণ, প্রতিবেদন তৈরি ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য।

• জাতিসংঘ একাধিক প্রস্তাব ও ভোটের মাধ্যমে এই বসতিগুলোর নিন্দা করেছে।

• যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশক ধরে ইসরাইলকে কূটনৈতিক সুরক্ষা দিয়ে আসছে এবং ওয়াশিংটন ইসরাইলকে কূটনৈতিক তিরস্কার থেকে রক্ষা করার জন্য জাতিসংঘে তার ভেটো ক্ষমতা ধারাবাহিকভাবে ব্যবহার করে আসছে।

সূত্র: আলজাজিরা

এমএমআর

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন