যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান চলাকালে ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী ও রহস্যময় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল বলে দাবি করছেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। যার ফলে সেনাদের ভিন্নরকম শারীরিক প্রতিক্রিয়া দেখাতে বাধ্য করেছে। প্রতক্ষদর্শীর এমন দাবি একটি সাক্ষাৎকার হিসেবে সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করেন ওয়াশিংটন হোয়াইট হাউজ প্রেস সেক্রেটারি।
নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে এসেছে, ভেনেজুয়েলার প্রত্যক্ষদর্শী ওই নিরাপত্তারক্ষী দাবি করেছেন, ওই অভিযানে মার্কিন বাহিনী শুধু ড্রোন এবং হেলিকপ্টারই ব্যবহার করেনি, বরং একটি উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্রও ব্যবহার করা হয়েছিল, যাকে তিনি ‘ধ্বনি তরঙ্গ’ বা সনিক অস্ত্র বলে অভিহিত করেছেন।
সেনাবাহিনীর নিরাপত্তারক্ষীর দাবি, ওই অস্ত্রের প্রভাবে অনেকেরই নাক দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল, অনেকে বমি করে ফেলেছিলেন, আমরা মাটিতে পড়ে গেলাম, নড়াচড়া করতে পারছিলাম না। সেই সনিক অস্ত্রের পরেও আমরা দাঁড়াতে পারছিলাম না।’ তিনি বলেন, ‘এটা অনুভব করেছিলাম যেন মাথার ভেতর থেকে বিস্ফোরণ হচ্ছে।’
তিনি আরো দাবি করেন, এমন এই প্রযুক্তির অস্ত্র ব্যবহারের ফলে মাত্র কয়েকজন মার্কিন সৈন্য শত শত ভেনেজুয়েলার নিরাপত্তা কর্মীকে পরাজিত করতে সক্ষম হয়েছে। অভিযানে মার্কিন বাহিনীর ক্ষতি হয়নি বলে জানা গেছে, যদিও এসব প্রযুক্তির ব্যবহারের বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তারা কোনো মন্তব্য করেননি।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের হিসাবে, যুক্তরাষ্ট্রের গত ৩ জানুয়ারির অভিযানে ভেনেজুয়েলার নিরাপত্তা বাহিনীর আনুমানিক ১০০ সদস্য নিহত হয়েছে। তবে এসব মৃত্যুর ঘটনা রহস্যময় অস্ত্র প্রয়োগে ঘটেছে কিনা সেটি স্পষ্ট নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিশেষ অভিযানটির উদ্দেশ্য ছিল প্রেসিডেন্ট নিউলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার করা। , যিনি মাদক পাচার ও আন্তর্জাতিক অপরাধের অভিযোগে ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্যবস্তু। এই ঘটনায় লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং উচ্চ-স্তরের প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রশ্ন তুলেছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

