‘নিকাব পরার শর্তে রাজি হয়নি কেউ, পাইলট শুনে সব পাত্রীই রাজি’

‘নিকাব পরার শর্তে রাজি হয়নি কেউ, পাইলট শুনে সব পাত্রীই রাজি’
ছবি: সংগৃহীত

দুবাই থেকে ইসরাইলের তেলআবিবগামী ফ্লাইটের পাইলটকে ছুরিকাঘাত করা সহকারী পাইলটেরে পরিচয় প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। ওমানের নাগরিক ওই পাইলটের নাম হামাম আল-হাম্মামি।

সিএনএনের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আল-হাম্মামি খুব ধার্মিক ছিলেন। সামাজিকমাধ্যমের পোস্টে গভীর ধর্মীয় বিশ্বাস এবং নারীদের প্রতি বৈষম্যমূলক মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে।

বিজ্ঞাপন

হামাম আল-হামানির লিংডইন অ্যাকাউন্টে দেখা গেছে, তিনি ওমান এয়ারে সাত বছর কাজ করেছেন। তবে তার লিংডইনের অ্যাকাউন্টটি এখন ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। কেন এটি ডিলিট করা হলো এ ব্যাপারে জানতে লিংকডিনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল সিএনএন।

পোস্টগুলোতে আল-হাম্মামি উল্লেখ করেন, তার জন্য উপযুক্ত পাত্রী খুঁজতে গিয়ে তার মা নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন। তার শর্ত ছিল—পাত্রীকে নিকাব পরতে হবে এবং বিয়ের পর চাকরি করা যাবে না।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির একটি পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘তারা সবাই প্রত্যাখ্যান করেছিল। এরপর আমার মা তাদের বললেন, আমার ছেলে একজন পাইলট। তখন হঠাৎ করেই সবাই রাজি হয়ে গেল।’

২০২২ সালের জানুয়ারির আরেকটি পোস্টে তিনি নারী-পুরুষের একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে সমালোচনা করেন। তার দাবি ছিল, এ ধরনের কর্মপরিবেশ নারীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

তিনি লিখেছিলেন, ‘মিশ্র কর্মপরিবেশে কত সম্মানিত ও ধর্মপ্রাণ মেয়ে নষ্ট হয়ে গেছে এবং প্রভাবিত হয়েছে?’

২০২১ ও ২০২২ সালে প্রকাশিত প্রায় ৩ হাজার মুছে ফেলা টুইট বিশ্লেষণ করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক একটি সেমান্টিক সার্চ মডেল ব্যবহার করে পোস্টগুলো বিশ্লেষণ ও শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।

সূত্র: সিএনএন

আরএ

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন