বিশ্বব্যাপী জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির জেরে ফ্লাইট বাতিল করতে শুরু করেছে বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চীনা বিমান সংস্থা। এর মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো গন্তব্যও রয়েছে।
গত কয়েক দিনে দেশটির বিভিন্ন বিমান সংস্থা ফ্লাইট বাতিল করেছে বলে সিএনএনকে নিশ্চিত করেছেন বেশ কয়েকজন চীনা পর্যটক।
এই আকস্মিক বাতিলের কারণে দেশের বাইরে আটকা পড়েছেন কয়েকজন পর্যটক। অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে ছুটি কাটাতে যাওয়া ২৪ বছর বয়সি লি হুয়ু জানান, তিনি সিচুয়ান এয়ারলাইনস থেকে একটি বার্তা পেয়েছেন, যেখানে বলা হয়েছে যে এপ্রিলের শেষ দিকে তার চীনে ফেরার ফ্লাইটটি বাতিল করা হয়েছে। লি বলেন, ফেরার পরদিনই তার কাজে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
তিনি বলেন, ‘যদি শেষ মুহূর্তে ফ্লাইট বাতিল করা হয়, তাহলে আমি পরদিন কাজে যোগ দিতে পারব না।’
হেবেই প্রদেশের একজন স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী উনা হান বলেন, এ সপ্তাহে তিনি চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইনস থেকে একটি বার্তা পেয়েছেন, যেখানে বলা হয়েছে যে এপ্রিলের শেষে বেইজিং থেকে থাইল্যান্ডগামী তার নির্ধারিত ফ্লাইটটি বাতিল করা হয়েছে।
হান বলেন, ‘আমি খুবই হতাশ, কারণ এই প্রথমবারের মতো চীনের বাইরে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলাম।’
মে মাসে শ্রমিক দিবস উপলক্ষে পাঁচ দিনের ছুটির আগে এসব ফ্লাইট বাতিল হলো। ছুটির এই সময়টা চীনের অন্যতম ব্যস্ততম ভ্রমণ মৌসুম। এ সময় অনেকেই দেশের বাইরে বেড়াতে যান।
তবে কোনো চীনা বিমান সংস্থাই প্রকাশ্যে এই ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা দেয়নি। সিএনএন চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইনস এবং সিচুয়ান এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করলে উভয় সংস্থাই নীতিগত সমন্বয়ের কথা উল্লেখ করে ফ্লাইট বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সূত্র: সিএনএন
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


ইরান ও লেবাননে আরো যুদ্ধের পরিকল্পনা অনুমোদন ইসরাইলের