ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়া বিপুল অর্থ ও প্রচেষ্টা সত্ত্বেও মলদোভাকে অস্থিতিশীল করতে ব্যর্থ হয়েছে। আজ পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশতে এক সম্মেলনে ভিডিও বার্তায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
সোমবার তুরস্কভিত্তিক গণমাধ্যম হুরিয়াত ডেইলি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
তিনি জানান, রাশিয়া মলদোভার জনগণকে দুর্বল করতে এবং রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত করতে বহুমুখী কৌশল নিলেও দেশটি তার গণতান্ত্রিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়নি।
রবিবার অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচনে মলদোভার ক্ষমতাসীন ইউরোপীয় ইউনিয়ন-পন্থী দল পার্টি অফ অ্যাকশন অ্যান্ড সলিডারিটি (PAS) সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। দলটি জানিয়েছে, “নোংরা” রাশিয়ার হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও এই জয় এসেছে জনগণের শক্তির প্রতিফলন হিসেবে।
পিএএস নেতা ইগর গ্রোসু বলেন, রাশিয়া নির্বাচনে বাধা দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও তা সফল হয়নি।
সোমবারের প্রায় সম্পূর্ণ ফলাফলে দেখা যায়, পিএএস অর্ধেকেরও বেশি ভোট পেয়েছে। মলদোভা প্রাক্তন সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রের অংশ ছিলো।
ইউক্রেন সীমান্তবর্তী এই দেশটিতে রাশিয়াপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চলও রয়েছে, যা দেশের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে।
২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর মলদোভাও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ অর্জনের লক্ষ্যে তার প্রচেষ্টা আরো জোরদার করেছে। এই নির্বাচনের ফলাফল সেই প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতাকেই শক্তিশালী করল বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

