ছয় বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো মুখোমুখি বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আজ শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠক হতে যাচ্ছে। এবারের বৈঠকে ট্রাম্পের লক্ষ্য ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে নিজের গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণ করা। খবর বিবিসির।
রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সাফল্য পাওয়ার আশা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ।
তবে দুই বিশ্বনেতার এই আলোচনা থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা।
আলোচনা ঠিকঠাক হলে খুব দ্রুতই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলদেমির জেলেনস্কিকে সঙ্গে নিয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের সম্ভাবনার কথাও বলেছেন ট্রাম্প। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে এই আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, তার অনুপস্থিতিতে নেওয়া যেকোনো সমাধান অর্থহীন হবে।
আলাস্কার অ্যাঙ্কোরেজ শহরে একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটির কাছের এক ভেন্যুতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। নিরাপত্তা আর সময় স্বল্পতার বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠক কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যুদ্ধবিরতি অথবা নতুন নিষেধাজ্ঞা, যেকোনো একটি বেছে নিতে রাশিয়াকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন ট্রাম্প। এই সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার ঠিক এক সপ্তাহ পর বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
তবে ট্রাম্প বিশ্বাস করেন, পুতিনের সঙ্গে তার যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে তা হয়তো এই সংঘাতের অবসান টানতে এবং তার বৈশ্বিক শান্তিদূতের ভাবমূর্তি জোরদার করতে সহায়তা করতে পারে।
অবশ্য কিয়েভ ও মস্কোর মধ্যে যুদ্ধ শেষ করার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ, কারণ ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর থেকে উভয়পক্ষ রক্তক্ষয়ী সংঘাতে জড়িয়ে আছে।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



