২০০ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে মার্কিন অঙ্গরাজ্য টেনেসি

২০০ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে মার্কিন অঙ্গরাজ্য টেনেসি
২০০১ সালে টেনেসির নক্সভিলে একটি আদালত শুনানির সময় ক্রিস্টা পাইক। ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২০০ বছরের বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো কোনো নারী বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে যাচ্ছে। ৩০ বছর আগে হত্যার দায়ে দণ্ডিত ক্রিস্টা গেইল পাইকের মৃত্যুদণ্ড বুধবার কার্যকর করার কথা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সোমবার এক বিবৃতিতে টেনেসির গভর্নর বিল লি বলেন, পাইকের ক্ষমার আবেদন বিবেচনা এবং মামলাটি পর্যালোচনার পর তিনি অঙ্গরাজ্যের আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখছেন এবং এতে হস্তক্ষেপ করবেন না।

৫০ বছর বয়সী পাইকের স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ১০টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা) ন্যাশভিলের রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি ইনস্টিটিউশনে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কথা রয়েছে।

১৯৯৫ সালে নক্সভিলে কোলিন স্লেমার হত্যার ঘটনায় ১৯৯৬ সালে পাইককে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি টেনেসির ডেথ রোতে থাকা একমাত্র নারী বন্দি।

পাইকের আইনজীবীরা গভর্নরের সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তারা বলেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে টেনেসি দুই শতাব্দীরও বেশি সময় পর কোনো নারী বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা প্রথম অঙ্গরাজ্য হিসেবে ‘ব্যতিক্রমী অবস্থানে’ চলে যাবে।

এদিকে পাইকের পক্ষে করা একটি আবেদন এখনো যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। তবে সুপ্রিম কোর্টে কোনো আবেদন বিচারাধীন থাকলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া স্থগিত হয় না।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

এমএমআর

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন