ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র গত মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘন করেছে এবং সর্বশেষ হামলার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইন ভেঙেছে।
মন্ত্রণালয় গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকাণ্ডকে জাতিসংঘ সনদের ‘সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
তেহরান আরও বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নির্ধারিত ব্যবস্থাগুলো যুক্তরাষ্ট্র নস্যাৎ করেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক নৌচলাচল ব্যাহত হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথে নিরাপত্তাহীনতা আরও বেড়েছে।
এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, “যুদ্ধের অবসান ঘটানো যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাত্র ২৫ দিন পার হয়েছে। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইরানের পরিবহন অবকাঠামো, বাণিজ্যিক নৌচলাচল, পণ্যবাহী জাহাজ ও বিমান চলাচল-সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা চালিয়ে চুক্তির প্রায় সব দিক লঙ্ঘন করেছে। বিবৃতিতে এসব কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গুরুতর যুদ্ধাপরাধগুলোর একটি হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।”
তেহরান আরও অভিযোগ করেছে, ইরানের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতিতে যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় দেশগুলোর ভূখণ্ড ও বিভিন্ন স্থাপনা ব্যবহার করছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিবেশী দেশগুলোকে সতর্ক করে বলেছে, তাদের ভূখণ্ড, আকাশসীমা বা অবকাঠামো যেন ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে ব্যবহার করতে দেওয়া না হয়।
ইরান বলেছে, তারা নতুন করে যুদ্ধ চায় না। তবে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী সতর্ক করে জানিয়েছে, যেখান থেকে ইরানের ওপর হামলা চালানো হবে, আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপের ক্ষেত্রে সেই স্থানকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


