যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনার পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান তুলে ধরেন। ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের নেতৃত্ব যুদ্ধের কারণে দুর্বল ও বিভক্ত হয়ে পড়েছে, তাই তাদেরকে একটি শান্তি প্রস্তাব তৈরির সময় দিতে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
একই সঙ্গে তিনি জানান, ইরানের বন্দরগুলোতে প্রবেশ ও প্রস্থানকারী জাহাজের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অবরোধ বহাল থাকবে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য ইরানের অর্থনীতিকে চাপে রাখা। তবে তেহরান এটিকে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণার সমতুল্য বলে মনে করছে।
ক্যারোলিন লেভিট দাবি করেন, এই কৌশল ইতোমধ্যেই কার্যকর হয়েছে। তিনি বলেন, “এই অবরোধের মাধ্যমে আমরা তাদের অর্থনীতিকে পুরোপুরি চাপে ফেলেছি। তারা প্রতিদিন প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। খার্গ দ্বীপ সম্পূর্ণ ভর্তি হয়ে গেছে। তারা তেল আমদানি-রপ্তানি করতে পারছে না, এমনকি নিজেদের জনগণকেও অর্থ পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছে।”
বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানায়, যুদ্ধবিরতির বর্ধিত সময়সীমার কোনো নির্দিষ্ট শেষ তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। তবে ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু করবে না। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে এক ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
তবে হোয়াইট হাউস বলছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বর্তমান পরিস্থিতিতে সন্তুষ্ট এবং যুক্তরাষ্ট্রই পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে বলে তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে।
এসআর
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

