জাতিসংঘে ইরানের অভিযোগ

ফ্লাইট ৬৫৫ থেকে আজও যুক্তরাষ্ট্রে দায়মুক্তির সংস্কৃতি বহাল

আমার দেশ অনলাইন
আমার দেশ অনলাইন

ফ্লাইট ৬৫৫ থেকে আজও যুক্তরাষ্ট্রে দায়মুক্তির সংস্কৃতি বহাল
ডানে ১৯৮৮ সালে ইরান এয়ার ফ্লাইট ৬৫৫ ভূপাতিতের হরমুজ প্রণালী থেকে বিমানের উদ্ধারকৃত ধ্বংসাবশেষের টুকরো। বামে, ২০২৬ সালে ইরানের মিনাবে স্কুলে বিমান হামলায় নিহতদের জন্য প্রস্তুকৃত কবর।

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী মিশন ১৯৮৮ সালে ইরানের এয়ার ফ্লাইট ৬৫৫ ভূপাতিতের ঘটনায় দায় স্বীকার না করায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘দায়মুক্তির সংস্কৃতি’ তৈরির অভিযোগ তুলেছে। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের মিশন জানায়, ‘১৯৮৮ সালের ৩ জুলাই মার্কিন নৌবাহিনী পারস্য উপসাগরের আকাশে ইরান এয়ার ফ্লাইট ৬৫৫ গুলি করে ভূপাতিত করে। এতে ৬৬ শিশুসহ ২৯০ জন বেসামরিক যাত্রী নিহত হন। জবাবদিহির পরিবর্তে সে সময়ের মার্কিন প্রেসিডেন্ট অভিযানে জড়িত নৌসদস্যদের পদক দিয়েছিলেন।’

বিজ্ঞাপন

পোস্টে আরও বলা হয়, ‘এই কারণেই আজও দায়মুক্তির সংস্কৃতি বহাল রয়েছে। ফ্লাইট ৬৫৫ থেকে শুরু করে মিনাবে একটি স্কুলে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৬৮ স্কুলশিশু নিহত হওয়ার ঘটনাতেও যুক্তরাষ্ট্র তার কর্মকাণ্ডের জবাবদিহি করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে।’

এদিকে, শুক্রবার ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ‘৩ জুলাই সেই অপরাধের স্মারক, যেদিন যুক্তরাষ্ট্র ৬৬ শিশুসহ ২৯০ নিরপরাধ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, এই অপরাধ ইরানি জাতির স্মৃতি থেকে কখনও মুছে যাবে না। বিমান ভূপাতিত করার পর দ্বিতীয় অপরাধ ছিল—দায় স্বীকার না করা, আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা না চাওয়া এবং অভিযুক্ত যুদ্ধজাহাজের কমান্ডারকে পদক দেওয়া।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ সর্বশেষ অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

এমএমআর

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ

এলাকার খবর
Loading...