ইরানের প্রক্সি হামলার আতঙ্কে জার্মানি

আমার দেশ অনলাইন
আমার দেশ অনলাইন

ইরানের প্রক্সি হামলার আতঙ্কে জার্মানি
ছবি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

জার্মানির অভ্যন্তরে ইরান সমর্থিত সম্ভাব্য হামলার হুমকি নিয়ে দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জার্মান মাটিতে নাশকতার ঝুঁকি কতটা প্রকট, তা সাধারণ মানুষকে জানানো নিয়ে এই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত।

নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডোব্রিন্ট ইরানি হুমকির কথা স্বীকার করলেও সেটিকে কেবল ‘তাত্ত্বিক’ বা ‘অনুমাননির্ভর’ হিসেবে বর্ণনা করছেন।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে, জার্মানির আঞ্চলিক গোয়েন্দা প্রধানরা মনে করছেন, এই হুমকি অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং জরুরি।

গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, রাজনৈতিক নেতৃত্ব বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়ায় সাধারণ মানুষ এই বিপদ সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন হচ্ছে না।

জার্মানিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানবিরোধী হামলায় ব্যবহৃত হওয়ায় তেহরান বার্লিনকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করছে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, ইরান সরাসরি নিজের এজেন্ট ব্যবহারের বদলে ভাড়টে চক্র বা প্রক্সি এজেন্টদের মাধ্যমে জার্মানিতে ‘হাইব্রিড’ হামলার পরিকল্পনা করছে। ইতোমধ্যে জার্মানির বিভিন্ন ইহুদি ও ইসরাইলি প্রতিষ্ঠান এবং ইরানি সরকারের সমালোচকদের ওপর হামলার অন্তত ৫০টি ছক শনাক্ত করেছে ইউরোপীয় গোয়েন্দারা।

গত মাসে মিউনিখের একটি ইসরাইলি রেস্তোরাঁয় জানালা ভাঙচুর ও বিস্ফোরক ছোড়ার ঘটনায় ইরানি প্রক্সিদের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‘হারাকাত আসহাব আল-ইয়ামিন আল-ইসলামিয়া’ নামের একটি গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেছে, যাদের সঙ্গে তেহরানের আর্থিক সম্পর্কের প্রমাণ পেয়েছে গোয়েন্দারা। এই গোষ্ঠীটি ইউরোপের আরো কয়েকটি দেশে একই ধরনের হামলার দাবি করেছে।

এছাড়া গত ফেব্রুয়ারিতে মিউনিখে ইরানবিরোধী এক বিশাল বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ওপর ইরানি গোয়েন্দারা নজরদারি ও হামলা চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ইরানি এসব তৎপরতা ও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তবে চ্যান্সেলর কার্যালয় সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি বা লক্ষ্যবস্তু নিয়ে জনসমক্ষে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে

জার্মানির অভ্যন্তরে ইরান সমর্থিত সম্ভাব্য হামলার হুমকি নিয়ে দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জার্মান মাটিতে নাশকতার ঝুঁকি কতটা প্রকট, তা সাধারণ মানুষকে জানানো নিয়ে এই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত।

নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডোব্রিন্ট ইরানি হুমকির কথা স্বীকার করলেও সেটিকে কেবল ‘তাত্ত্বিক’ বা ‘অনুমাননির্ভর’ হিসেবে বর্ণনা করছেন।

অন্যদিকে, জার্মানির আঞ্চলিক গোয়েন্দা প্রধানরা মনে করছেন, এই হুমকি অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং জরুরি।

গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, রাজনৈতিক নেতৃত্ব বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়ায় সাধারণ মানুষ এই বিপদ সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন হচ্ছে না।

জার্মানিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানবিরোধী হামলায় ব্যবহৃত হওয়ায় তেহরান বার্লিনকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করছে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, ইরান সরাসরি নিজের এজেন্ট ব্যবহারের বদলে ভাড়টে চক্র বা প্রক্সি এজেন্টদের মাধ্যমে জার্মানিতে ‘হাইব্রিড’ হামলার পরিকল্পনা করছে। ইতোমধ্যে জার্মানির বিভিন্ন ইহুদি ও ইসরাইলি প্রতিষ্ঠান এবং ইরানি সরকারের সমালোচকদের ওপর হামলার অন্তত ৫০টি ছক শনাক্ত করেছে ইউরোপীয় গোয়েন্দারা।

গত মাসে মিউনিখের একটি ইসরাইলি রেস্তোরাঁয় জানালা ভাঙচুর ও বিস্ফোরক ছোড়ার ঘটনায় ইরানি প্রক্সিদের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‘হারাকাত আসহাব আল-ইয়ামিন আল-ইসলামিয়া’ নামের একটি গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেছে, যাদের সঙ্গে তেহরানের আর্থিক সম্পর্কের প্রমাণ পেয়েছে গোয়েন্দারা। এই গোষ্ঠীটি ইউরোপের আরো কয়েকটি দেশে একই ধরনের হামলার দাবি করেছে।

এছাড়া গত ফেব্রুয়ারিতে মিউনিখে ইরানবিরোধী এক বিশাল বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ওপর ইরানি গোয়েন্দারা নজরদারি ও হামলা চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ইরানি এসব তৎপরতা ও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তবে চ্যান্সেলর কার্যালয় সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি বা লক্ষ্যবস্তু নিয়ে জনসমক্ষে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

এএম

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন