স্পেনে জন্মগ্রহণকারী মুসলিমদেরও ‘বিদেশি’ তকমা দেওয়ায় উত্তেজনা

স্পেনে জন্মগ্রহণকারী মুসলিমদেরও ‘বিদেশি’ তকমা দেওয়ায় উত্তেজনা

মরক্কো থেকে অভিবাসন প্রত্যাশীদের আগমন ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে স্পেনের সিউতা শহরের মুসলিমরা বর্ণবাদী আচরণ ও বিদ্বেষের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে স্পেনের নাগরিক হিসেবে বসবাস করলেও তাদের পরিচয় ও আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

উত্তর আফ্রিকার উপকূলে অবস্থিত স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত শহর সিউতায় মুসলিমদের অনেকেই জন্মসূত্রে স্পেনের নাগরিক। তাদের পরিবারের সদস্যরা কয়েক প্রজন্ম ধরে সেখানে বসবাস করছেন। কিন্তু মরক্কো থেকে অভিবাসন প্রত্যাশীদের আগমন ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় মুসলিমদের একটি অংশের অভিযোগ, তাদেরও নতুন আসা অভিবাসীদের মতো সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে। এমনকি নিজেদের দেশেই তাদের স্প্যানিশ পরিচয়ের প্রমাণ দিতে হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

সিউতার সিদি এমবারেক এলাকার বাসিন্দাদের সংগঠনের সভাপতি আবদেল্লাহ মুস্তাফার প্রতিদিনের সকাল শুরু হয় একের পর এক ফোনকল দিয়ে। কোনো কোনো দিন তিনি ৪০টি পর্যন্ত ফোন পান। গত জুলাইয়ে মরক্কো থেকে বিপুলসংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশী সীমান্ত পেরিয়ে সিউতায় প্রবেশের পর থেকে বর্ণবাদী আচরণের শিকার হওয়ার অভিযোগ জানাতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন মুসলিম বাসিন্দারা।

সম্প্রতি এক মুসলিম নারী তার ছয় বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে বাসস্টপে অপেক্ষা করার সময় এক ব্যক্তির কাছ থেকে অশালীন ও বর্ণবাদী গালি শোনেন। ওই ব্যক্তি তাকে অবমাননাকর ভাষায় ‘মোরা’ বলে গালাগাল করেন। নারীর স্বামী ঘটনাটি পুলিশকে জানান। পরে কী ঘটেছে, তা জনসমক্ষে তুলে ধরতে পরিবারটি মুস্তাফার সঙ্গে যোগাযোগ করে।

মুস্তাফা বলেন, ‘মানুষ আমাকে ফোন করে, কারণ তারা চায় না সিউতা বিভক্ত হয়ে পড়ুক। আমিও তা চাই না। আমি কাউকে আমার সম্প্রদায়ের ওপর হামলা করতে দেব না। তারা আমাকে ফোন করে, কারণ তারা চায় আমি যেন এসব বন্ধে ভূমিকা রাখি।’

একজন কমিউনিটি নেতা ও মুখপাত্র হিসেবে মুস্তাফার লক্ষ্য, সিউতার মুসলিম বাসিন্দাদের বক্তব্য ও উদ্বেগ জনসমক্ষে তুলে ধরা। বিশেষ করে তারা যখন মনে করেন, তাদের অভিযোগ উপেক্ষা করা হচ্ছে, তখন তিনি তাদের হয়ে কথা বলার চেষ্টা করেন। তিনি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নন এবং পুলিশি কার্যক্রম বা সরকারি নীতির ওপর তার কোনো কর্তৃত্ব নেই। তবে এসব ঘটনা সামনে আনতে নিজের সাধ্যমতো কাজ করছেন।

সিউতার স্বায়ত্তশাসিত সরকারের প্রধান এবং স্পেনের রক্ষণশীল পিপলস পার্টির (পিপি) জ্যেষ্ঠ নেতা হুয়ান হেসুস ভিভাসের সঙ্গেও সরাসরি কথা বলেছেন মুস্তাফা। তার অভিযোগ, মুসলিমদের উদ্বেগের বিষয়ে ভিভাস যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ভিভাস জুলাইয়ে আসা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঢলকে ‘আগ্রাসন’ বলে বর্ণনা করেন। একই সঙ্গে সিউতার বিরুদ্ধে মরক্কোর ‘হয়রানিমূলক নীতি’ অনুসরণের অভিযোগ তোলেন তিনি।

মুস্তাফা বলেন, ‘হুয়ান ভিভাস পিপির প্রভাবশালী নেতাদের একজন। তিনি ২৬ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছেন এবং নিজের অনুকূলে কাজ করে এমন রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগস্টের এক শনিবার আমরা হুয়ান হেসুস ভিভাস লারাকে সতর্ক করেছিলাম, তার বক্তব্যের কারণে অভিবাসনপ্রত্যাশী ও সিউতার মুসলিমদের ওপর হামলা হতে পারে।’

পরবর্তী কয়েক সপ্তাহে মুসলিম বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী ও শারীরিক হামলার ঘটনা বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। মুস্তাফার আশঙ্কা, বাস্তবেও সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

তার ভাষায়, ‘শহর কর্তৃপক্ষ যে বক্তব্য ছড়াচ্ছে, তা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে এবং অন্যদেরও সেই বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করতে উৎসাহিত করছে। এর ফলে এই বিদ্বেষকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে।’

সহাবস্থান উন্নত করার জন্য বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেও সাড়া পাননি বলে অভিযোগ করেন মুস্তাফা। তিনি বলেন, ‘সহাবস্থান উন্নত করার প্রস্তাব নিয়ে আমরা যখনই তার কাছে গিয়েছি, তিনি কখনো আমাদের কথা শোনেননি।’

গত ৩০ ও ৩১ জুলাই মরক্কো থেকে সিউতায় কয়েক হাজার নয়, বরং কয়েক দশ হাজার মানুষ প্রবেশ করেন। তাদের অনেকে সমুদ্রপথে আসেন। পরে তাদের অধিকাংশই ফিরে গেলেও থেকে যাওয়া ব্যক্তিদের আশ্রয় ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংকটে পড়ে শহর কর্তৃপক্ষ।

পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, ১২ অক্টোবর পর্যন্ত সিউতায় ১৬ হাজার থেকে ১৮ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী অবস্থান করছিলেন। তাদের অনেকে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছিলেন। অক্টোবরের শুরুর দিকে স্পেনের রাজপরিবারের বিরল এক সফরের আগে সৈকতসংলগ্ন অস্থায়ী শিবিরগুলো সরিয়ে দেওয়া হয়। বাস্তুচ্যুতদের কেউ কেউ আশপাশের বনাঞ্চলে আশ্রয় নেন।

এই সংকটের মধ্যে প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নেমেছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, গত ৯ আগস্ট সিউতার চারটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ অংশ নেন। তাদের দাবি ছিল নিরাপত্তা, মানবিক সহায়তা ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সহাবস্থান নিশ্চিত করা।

এর আট দিন আগে, উগ্র ডানপন্থী গোষ্ঠী নুক্লেও নাসিওনালের প্রায় ২০ সদস্যের মুখোমুখি হন কয়েক ডজন স্থানীয় বাসিন্দা। পরে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

মুস্তাফার মতে, সিউতার মুসলিমদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী মনোভাব অভিবাসন সংকটের অনেক আগে থেকেই ছিল। মসজিদ বন্ধের দাবির মতো পুরোনো ঘটনাগুলোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সংকটের কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি অংশ আরো প্রকাশ্যে বিদ্বেষ দেখানোর সাহস পাচ্ছে।

একটি বিক্ষোভের সময় দুই মুসলিম বাসিন্দার ওপর হামলার অভিযোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাদের মধ্যে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরী ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা তাদের ‘যক্ষ্মা রোগ বহনকারী’ বলে অপবাদ দেয়।

পরে ওই কিশোরীর মা স্পেনের জাতীয় পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। মুস্তাফা ঘটনাটি প্রকাশ্যে তুলে ধরেন এবং সাংবাদিকদের নজরে আনেন। তার উদ্দেশ্য ছিল, সিউতার মুসলিমদের মৌখিক নিপীড়নের বিষয়টি সামনে আনা।

মুস্তাফা বলেন, তার লক্ষ্য হলো ‘আমাদের কণ্ঠস্বর যেন শোনা যায় তা নিশ্চিত করা’ এবং মুসলিম বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে বাড়তে থাকা বিদ্বেষের প্রতি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করা।

স্পেনের বর্ণবাদ ও বিদেশিবিদ্বেষ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিপুলসংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশীর আগমনের পর ৪৮ ঘণ্টায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় ৯ হাজার ৬০০টি বিদ্বেষমূলক বার্তা ছড়ানো হয়। এসব বার্তার কোনো কোনোটিতে সিউতার মুসলিমদের বিরুদ্ধে মরক্কোর পক্ষ নেওয়া ও অভিবাসন উৎসাহিত করার অভিযোগ তোলা হয়। আবার কিছু বার্তায় তাদের শহর থেকে বহিষ্কারের দাবিও জানানো হয়।

সিউতার মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে এই বিদ্বেষের বিষয়টি শুধু বর্ণবাদী আচরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে নিজেদের দেশ ও পরিচয়ের স্বীকৃতির প্রশ্ন।

শহরটির মোট ৮৩ হাজার ৬৬৪ জন বাসিন্দার মধ্যে মুসলিমদের সংখ্যা প্রায় ৪৩ শতাংশ। তাদের অনেক পরিবারের বসবাস সেখানে কয়েক প্রজন্ম ধরে। তা সত্ত্বেও তাদের ধর্মীয় পরিচয়, স্প্যানিশ ভাষার পাশাপাশি মরক্কোর আরবি ভাষা দারিজায় কথা বলা এবং মরক্কোর সঙ্গে সম্ভাব্য সম্পর্কের কারণে তাদের স্প্যানিশ পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।

‘আমাদের বিষ উগরে দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে তারা’

সিহাম আবদেল্লাহর বাবা-মা, দাদা-দাদি, নানা-নানি এবং তাদের আগের প্রজন্মের সদস্যদেরও জন্ম সিউতায়। তার পরিবারের সদস্যরা স্পেনের সামরিক বাহিনীতেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বিশ্বাস, বর্তমান সংকটের কারণে কিছু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে মনে পুষে রাখা বিদ্বেষ প্রকাশের সুযোগ পেয়েছে।

সিহাম বলেন, ‘জনসংখ্যার একটি অংশ এত দিন আমাদের উদ্দেশে সবচেয়ে খারাপ কথাগুলো বলার অপেক্ষায় ছিল। এখন তারা মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর নিজেদের বিষ উগরে দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে।’

বিভিন্ন বিক্ষোভে তিনি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঠেকাতে ‘চোরিসো সসেজভর্তি মেশিনগান’ ব্যবহারের আহ্বানও শুনেছেন বলে জানান। চোরিসো স্পেনের একটি জনপ্রিয় সসেজজাতীয় খাবার। এ ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করা হচ্ছে বলে তার অভিযোগ।

সিহামের মতে, স্থানীয় মুসলিমদের সঙ্গে নতুন আসা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের গুলিয়ে ফেলার কারণে শুধু এই বিদ্বেষ তৈরি হয়নি। বরং সংকটটি সিউতার মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের পূর্বধারণা ও বৈষম্যকে প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের অন্য কারও সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হচ্ছে না। এটি বর্ণবাদ প্রকাশের একটি সহজ উপায়।’

তাঁর মতে, কিছু মানুষ মুসলিম ও মরক্কোর নাগরিক পরিচয়কে একই বিষয় বলে মনে করেন। সিহাম বলেন, ‘এটি নিছক অজ্ঞতার সঙ্গে বর্ণবাদের মিশ্রণ।’

নাইব নামের এক ফুটবল কোচও তার পরিবারকে কীভাবে দেখা হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তার মেয়েরা হিজাব পরে। তিনি বলেন, ‘আমি স্পেনের পঞ্চম প্রজন্মের নাগরিক। কেউ আমাকে বলতে পারবে না যে আমি স্প্যানিশ নই। আমার জন্মের নথিপত্র রয়েছে। আমি মরক্কোর নাগরিক নই।’

নাইবের অভিযোগ, এখন তার মেয়েদেরও সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘উগ্র ডানপন্থীরা আমাদের দিকে আঙুল তুলছে।’

উত্তর আফ্রিকার উপকূলে অবস্থিত স্পেনের আরেকটি ছিটমহল মেলিয়ায় মাঠপর্যায়ে গবেষণা করেছেন ওপেন ইউনিভার্সিটি অব কাতালোনিয়ার সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক ভিক্তর আলবার্ট-ব্লাঙ্কো। তার মতে, বর্তমান সংকট সিউতা ও মেলিয়ার সমাজে আগে থেকেই বিদ্যমান অন্তর্নিহিত উত্তেজনাকে আরও দৃশ্যমান করেছে।

তিনি বলেন, ‘সিউতা ও মেলিয়া—দুই জায়গাতেই স্প্যানিশ ও মুসলিম পরিচয়ের মধ্যে একধরনের টানাপোড়েন রয়েছে। একই সঙ্গে মরক্কোর নৈকট্য একটি কাঠামোগত বাস্তবতা, যা সংকটের সময় সামনে চলে আসে।’

আলবার্ট-ব্লাঙ্কোর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ঐতিহাসিকভাবে স্পেনের জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে ক্যাথলিক ধর্মের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। অন্যদিকে মুসলিম, মরক্কোর নাগরিক, আরব ও আমাজিগ পরিচয়কে প্রায়ই এক করে দেখা হয়। এর ফলে মুসলিম বাসিন্দাদের অনেক সময় এমন একটি দেশের প্রতি নিজেদের আনুগত্যের প্রমাণ দিতে হয়, যে দেশের নাগরিক তারা আগে থেকেই।

তিনি বলেন, ‘তারা নিজেদের স্প্যানিশ ও মুসলিম—দুই পরিচয়েই পরিচিত মনে করেন।’

মানবিক সহায়তা নিয়েও প্রশ্ন

বর্তমান সংকটের কারণে মরক্কো থেকে আসা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সহায়তা করা নিয়েও সিউতার মুসলিমরা জটিল পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন। তাঁদের কেউ কেউ বলছেন, মানবিক সহায়তা দেওয়াকেও সীমান্ত পেরিয়ে আসার ঘটনাকে সমর্থন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সিহাম বলেন, ‘সিউতার কিছু স্প্যানিশ বাসিন্দা আমাকে বলেছেন, আমরা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সাহায্য করেছি বলেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাদের ধারণা, মানবিকতা দেখানোর অর্থ হলো এই পরিস্থিতিকে সমর্থন করা।’

তবে মুস্তাফার মতে, সিউতাকে সুরক্ষিত রাখা এবং অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা পরস্পরবিরোধী বিষয় নয়।

তিনি বলেন, ‘আমরা মানবিক মর্যাদার দৃষ্টিকোণ থেকে সিউতাকে রক্ষা করার চেষ্টা করছি। ক্যাথলিক ও মুসলিমদের মধ্যে কোনো লড়াই নেই। এই সংকটের সময় আমরা উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই একে অপরকে সহায়তা করেছি।’

সিউতার বাসিন্দাদের স্থানীয় ডাকনাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা ক্যাবায়াস। আমাদের স্প্যানিশ পরিচয় নিয়ে কখনো প্রশ্ন তোলা উচিত নয়।’

সূত্র: ইকনা ও হাইফেন অনলাইন

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন