পূর্ব লন্ডনে একটি মদের বার কিনে মসজিদ নির্মাণ করেছেন লন্ডনপ্রবাসী ব্যবসায়ী ও চট্টগ্রামের রাউজানের সন্তান জিয়া বিন রাসেল। তিনি ভবনটি কিনে বিপুল অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ মসজিদ ও মুসলিম কমিউনিটি সেন্টারে রূপান্তর করেছেন।
জানা যায়, জিয়া বিন রাসেলের রয়েছে দীর্ঘদিনের মানবিক পথচলা। কেবল মদের বারকে মসজিদে রূপান্তরই নয়, বাংলাদেশ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও নীরবে-নিভৃতে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষদের কেবল এককালীন খাদ্য সহায়তা বা হুইলচেয়ার দান করেই তিনি থেমে থাকেননি; বরং তাদের দীর্ঘমেয়াদি স্বাবলম্বিতার পথ তৈরি করেছেন। এই উদ্দেশ্যকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সাভারের নবীনগরে ‘হাফেজ্জি চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ’-এর মাধ্যমে প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রশিক্ষণ চালু করা হয়েছে, যার মূল অর্থায়ন ও পরিকল্পনায় রয়েছেন জিয়া বিন রাসেল।
দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন তিনি। বিভিন্ন এলাকায় দরিদ্র নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন, নগদ অর্থ ও বিভিন্ন আয়মুখী উপকরণ বিতরণের মাধ্যমে পরিবারগুলোর স্থায়ী উপার্জনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
ধর্মীয় মূল্যবোধ ও দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে দেশের দুর্গম অঞ্চলের মক্তব ও মাদরাসাগুলোতে নিয়মিত অনুদান দিয়ে আসছেন এই উদ্যোক্তা। তার সরাসরি অর্থায়নে অনেক এতিম ও দুস্থ শিক্ষার্থী পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে এবং একাধিক শিক্ষার্থী পবিত্র কুরআনের হিফজ সম্পন্ন করে হাফেজ হয়েছেন।
বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে তার অনুদানের হাত পৌঁছে গেছে যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনের গাজা এবং চরম মানবিক সংকটে থাকা সুদানে।
দেশের যেকোনো দুর্যোগময় মুহূর্তে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

