বোর্ড চাইলে জাতীয় দলের কোচ হতে প্রস্তুত সুজন

বোর্ড চাইলে জাতীয় দলের কোচ হতে প্রস্তুত সুজন

বাংলাদেশ জাতীয় দলের বিভিন্ন দায়িত্বে কাজ করেছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। আপৎকালীন দায়িত্বে হেড কোচেরও দায়িত্ব সামলেছেন। তবে কখনই পূর্ণ মেয়াদের দায়িত্ব পাননি সাবেক জাতীয় দলের এই কোচ। বর্তমানে বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্টের কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করছেন সুজন। সুযোগ পেলে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতেও কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিসিবির সবশেষ বোর্ডের অধীনে স্থানীয় অনেক কোচকে বাংলাদেশ ক্রিকেটের পাইপলাইন তৈরি এবং জাতীয় দলেরও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তামিম ইকবাল বিসিবি সভাপতি হিসেবে আসার পরও সেই ধারা অব্যাহত রেখেছেন। জাতীয় দলের কোচিং প্যানেলেও বিদেশি কোচদের পাশাপাশি আছেন দেশি কয়েকজন কোচ। এছাড়া আসন্ন এশিয়ান গেমসে লিটনদের হেড কোচ হিসেবে জাপান যাচ্ছেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।

বিজ্ঞাপন

দেশি কোচদের এমন আধিপত্যের সময় বয়সভিত্তিক, এইচপি কিংবা জাতীয় দলের কোনো দায়িত্বে নেই বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে অভিজ্ঞ কোচদের একজন খালেদ মাহমুদ সুজন। ফলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হওয়াও বেশ স্বাভাবিক।

আজ রোববার ক্রিকেটার্স একাডেমিতে একটি ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন সুজন। সেখানে কোচ হওয়া প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখন তো একটা দায়িত্ব দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট গেম ডেভেলপমেন্টের কনসালটেন্ট। তিনি হয়তো ভেবেছেন আমি এখানে অবদান রাখতে পারব। তাকে ধন্যবাদ। আমি চেষ্টা করব যতটা সম্ভব অবদান রাখার। ফাহিম এখানে চেয়ারম্যান, তার সঙ্গেও আমার কাজের অভিজ্ঞতা আছে।’

জাতীয় দলের কোচিং করানোর কোনো আকাঙ্ক্ষা আছে কি নাÑসে প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সেটা তো আমি বলতে পারব না। যদিও আমার ব্রেড অ্যান্ড বাটার কোচিং। বোর্ড যদি মনে করেন আমি যোগ্য, তারা যদি অফার করে আমি অবশ্যই নেব।’

সুজনের সমসাময়িক বাংলাদেশের অন্যতম সেরা কোচ সালাউদ্দিন। গত কয়েক বছর ধরে জাতীয় দল এবং এইচপির হয়ে কাজ করছেন। বর্তমান সময়ে দেশের সবচেয়ে আলোচিত-সমালোচিত কোচও তিনি। সমসাময়িক হওয়ায় সুজনের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন রয়েছে অনেক। দুজনের মধ্যে সুসম্পর্ক নেইÑএমন গুঞ্জনও শোনা গেছে বিভিন্ন সময়।

তবে এসব গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা তো মানুষ বলে। কী ঝামেলা? আমি আর সালাউদ্দিন তো এটা মনে করি না। ছোটবেলা থেকে দুজন দুজনকে ভালোভাবে চিনি, একসঙ্গে খেলেছি। এরপর দুজনই কোচিংয়ে এসেছি। ওর সঙ্গে সব সময় আমার সুসম্পর্ক। ও কোচ হিসেবে নিজেকে অনেক পরিণত করেছে, অনেক বড় পরিসরে কোচিং করাচ্ছে। আমার মনে হয় না ওর সঙ্গে কখনো কোনো সমস্যা ছিল। সালাউদ্দিনও এটা বলবে। আমাদের সব সময়ই কথা হয়, ফোনেও কথা হয়। কোচিংয়ে দুজন দুদলকে কোচিং করিয়েছি, কখনো সে চ্যাম্পিয়ন, কখনো আমি। এর জন্য তো সম্পর্ক খারাপ হওয়ার কথা নয়। বরং সে ভালো করলে আমি খুশি হই।’

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন