ট্রাম্প-পুতিনের ডিজেল চুক্তিতে ক্ষুব্ধ সুইডেন

ট্রাম্প-পুতিনের ডিজেল চুক্তিতে ক্ষুব্ধ সুইডেন
সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন। ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে ঘোষিত ডিজেল সরবরাহ চুক্তি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন। তিনি বলেছেন, জ্বালানি থেকে পাওয়া আয় রাশিয়ার যুদ্ধ পরিচালনার অন্যতম প্রধান অর্থের উৎস। খবর আনাদোলুর।

বিজ্ঞাপন

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ক্রিস্টারসন বলেন, রাশিয়াকে ডিজেল সরবরাহের মার্কিন চুক্তিতে তারা হতাশ। ইউক্রেনের প্রতি সুইডেনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে রাশিয়ার ওপর আরও চাপ সৃষ্টি এবং ইউক্রেনকে অতিরিক্ত সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানান।

ক্রিস্টারসন বলেন, সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) রাশিয়ার বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় নিষেধাজ্ঞার প্যাকেজ গ্রহণ করবে। এতে রাশিয়ার সামরিক-শিল্প খাতের ১ হাজার ৬০০টি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে তালিকাভুক্ত করা হবে। এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান তিনি।

এ ছাড়া রাশিয়ার ছায়া নৌবহরের বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেওয়া এবং জব্দ করা রুশ সম্পদ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী।

এ বিষয়ে ইইউ, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদারের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

শুক্রবার টেলিফোনে কথা বলেন ট্রাম্প ও পুতিন। ওই আলোচনাকে ‘অত্যন্ত সফল’ বলে বর্ণনা করেন ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাজারে অবিলম্বে ৩ লাখ টনের বেশি ডিজেল সরবরাহে সম্মত হয়েছে রাশিয়া।

ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, নভেম্বরে আরও ৫ লাখ টন ডিজেল সরবরাহ করা হবে। এরপর রাশিয়ার ডিজেল শোধনাগারগুলোর পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অল্প সময়ের মধ্যে আরো ১০ লাখ টন এবং অতিরিক্ত ৩০ লাখ টন সরবরাহ করা হতে পারে।

পুতিন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাজারে রাশিয়ার ডিজেল সরবরাহ বিশ্ব অর্থনীতির জন্য উপকারী হবে। দুই নেতার আলোচনায় বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি, ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের সম্ভাবনা, ইরান পরিস্থিতি এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কও উঠে এসেছে।

এমএমআর

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন