হরমুজ এড়িয়ে ওমান উপসাগরে জাহাজে জাহাজে তেল স্থানান্তরের হিড়িক

হরমুজ এড়িয়ে ওমান উপসাগরে জাহাজে জাহাজে তেল স্থানান্তরের হিড়িক
ছবি: আল-জাজিরা

হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে জ্বালানি পরিবহনে নতুন কৌশল নিচ্ছে জাহাজগুলো। ওমান উপসাগরে বেড়েছে এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে সরাসরি তেল স্থানান্তর। জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ট্যাংকারট্র্যাকার্স ডটকমের হিসাবে, সেখানে অন্তত ২০ দফায় এমন স্থানান্তর হয়েছে। এক দিনে এটি ওই এলাকায় ব্যস্ততম এসটিএস কার্যক্রমের অন্যতম।

এসটিএস বা ‘শিপ-টু-শিপ’ স্থানান্তরে সমুদ্রে একটি জাহাজ থেকে সরাসরি অন্য জাহাজে তেল বা জ্বালানি পণ্য সরিয়ে নেওয়া হয়। পণ্যের উৎস আড়াল করা, নিষেধাজ্ঞা এড়ানো কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ বন্দরে না গিয়েই পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ট্যাংকারট্র্যাকার্স ডটকম জানিয়েছে, তারা এখন পর্যন্ত প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের চলাচল শনাক্ত করেছে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন পরিশোধিত জ্বালানি পণ্য। এসব পণ্যের উৎস ছিল অঞ্চলটির ‘প্রায় সব দেশ’। তবে ইরান এর বাইরে ছিল।

পরে আরো পাঁচটি এসটিএস স্থানান্তর শনাক্ত করার কথা জানায় প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে একটি ঘটনায় ইরানের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) স্থানান্তরের তথ্যও পাওয়া গেছে।

হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ায় ওমান উপসাগর এখন জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠছে। প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমাতে জাহাজগুলো বিকল্প পথে পণ্য সরানোর চেষ্টা করছে।

ফলে ওমান উপসাগরের সমুদ্রসীমায় জ্বালানি পরিবহনের এক নতুন চিত্র দেখা যাচ্ছে। বন্দরে না গিয়ে সমুদ্রেই এক জাহাজ থেকে অন্য জাহাজে তেল সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। হরমুজ প্রণালির অনিশ্চয়তার মধ্যে এ ধরনের কার্যক্রম আরো বাড়ছে।

এএম

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন