ইতোমধ্যে জানা গেছে যে, গাজায় প্রায় দুই দশক ধরে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করা সংস্থা বিলুপ্ত করার ঘোষণা দিয়েছে হামাস। এর মাধ্যমে বেসামরিক প্রশাসন পরিচালনার জন্য একটি নতুন কমিটির পথ উন্মুক্ত হয়েছে।
এ ঘোষণার পর গাজার ভবিষ্যৎ তদারকির দায়িত্বে থাকা তথাকথিত ‘বোর্ড অব পিস’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার মিত্রদের নিয়ন্ত্রণাধীন এই বোর্ডে কোনো ফিলিস্তিনি প্রতিনিধি নেই।
বোর্ডটি বলেছে, গাজার ‘ইমার্জেন্সি কমিটি’ বিলুপ্তির ঘোষণার বিষয়টি আমরা নোট করেছি। তবে আমাদের মূল্যায়ন প্রতিশ্রুতির ওপর নয়, বাস্তব পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে—যাতে গাজার মানুষের জরুরি চাহিদা পূরণ হয়।
এর মাধ্যমে বোর্ড অব পিসের দ্বিচারিতা প্রকাশ পেয়েছে। কেননা গত অক্টোবরে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে ইসরাইলের ধারাবাহিক হামলার বিষয়ে বোর্ড অব পিস খুব কমই সমালোচনা করেছে। উল্টো এখন তারা হামাসের কাছ থেকে বাস্তব পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছে।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার দাবি সত্ত্বেও গাজায় প্রায় প্রতিদিনই ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলি হামলায় নিহত হচ্ছেন। গত বছরের অক্টোবরে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৭২ জন নিহত এবং ৩ হাজার ৪৬৩ জন আহত হয়েছেন।
আর গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি হামলায় পাঁচজন নিহত এবং সাতজন আহত হয়েছেন। এছাড়া ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং সম্প্রতি নিহত হয়েছেন আরও তিনজন।
সূত্র: আলজাজিরা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


