সরকারবিরোধী বিক্ষোভে প্রকম্পিত বিভিন্ন দেশ

* আন্দোলনের সম্মুখভাগে জেন-জিরা

* ফ্রান্সের ১৪০ শহরে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ২০০০

* উত্তাল ভারত, ইতালি, আলবেনিয়া, স্পেন ও পর্তুগাল

সরকারবিরোধী বিক্ষোভে প্রকম্পিত বিভিন্ন দেশ
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে শনিবার বিক্ষোভকালে সড়কে আগুন ধরিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা। ছবি: নিউ ইয়র্ক টাইমস

বিশ্বজুড়ে গত কয়েক বছরে একটি অদম্য শক্তির উত্থান হয়েছে। নতুন এই রাজনৈতিক শক্তিকে বলা হচ্ছে জেনারেশন জি বা ‘জেন-জি’। বাংলাদেশ, নেপাল, পেরু ও মাদাগাস্কারে সরকারের পতন ঘটিয়েছে তারা। এছাড়া ভারতে গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র আন্দোলনের নেপথ্যেও রয়েছে এই শক্তি। ইতোমধ্যে দেশটির শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগে বাধ্য করেছে তারা। এর ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও আন্দোলন শুরু করেছে জেন-জিরা।

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, জ্বালানির বাড়তি দাম, আবাসন সংকট, বেকারত্ব ও শিক্ষা খাতে ব্যয় কমানোর বিরুদ্ধে উত্তাল হয়ে উঠেছে ইউরোপ থেকে দক্ষিণ আমেরিকার রাজপথ।

বিজ্ঞাপন

সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, পর্তুগাল, ইতালি, আলবেনিয়া, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও আর্জেন্টিনার নাগরিকরা। বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন দাবিতে আন্দোলন হলেও এর কেন্দ্রে রয়েছে অর্থনৈতিক চাপ ও সরকারি নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ।

বিভিন্ন দাবিতে চলা আন্দোলন কোথাও কোথাও রূপ নিচ্ছে সহিংস সংঘর্ষে। চলমান এই বিক্ষোভ বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক চাপ ও প্রাতিষ্ঠানিক অসন্তোষের বিস্তৃত চিত্র তুলে ধরছে। এসব আন্দোলনের নেতৃত্বে রয়েছেন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বা জেন-জি সদস্যরা। খবর : নিউ ইয়র্ক টাইমস, বিবিসি ও এনডিটিভির।

সরকারের নীতি ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সে গত মাসে বিক্ষোভ শুরু হয়। প্রথমে প্যারিসে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ছোট পরিসরে প্রতিবাদ শুরু করে। পরে তা আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলন শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন স্থানে সহিংস সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। বিক্ষোভের কারণে অনেক এলাকায় নিয়মিত ক্লাসও ব্যাহত হয়েছে।

গত কয়েক বছরের মধ্যে ফ্রান্সজুড়ে গত শনিবার ছিল সবচেয়ে সহিংস রাত। বছরের পর বছর ধরে তৈরি করা সরকারি ভবনগুলোতে আগুন দেওয়া হয়েছে।

রোববার সকালে ঘুম থেকে উঠে নাগরিকরা রাস্তায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ভাঙা কাচ এবং আগুনে পুড়ে যাওয়া সরকারি ভবনের দৃশ্য দেখতে পান। এসব ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, এদিন ১৪০টি শহরে বিক্ষোভ করেছেন আন্দোলনকারীরা। আটক করা হয়েছে প্রায় দুই হাজার বিক্ষোভকারীকে। এ সময় আহত হয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর প্রায় ৫০০ সদস্য। একজন বিক্ষোভকারী নিহত হওয়ারও খবর পাওয়া গেছে।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স ২৪-কে জানিয়েছেন, চলমান বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষ। তাদের মধ্যে শুধু প্যারিসেই রাজপথে নেমেছেন এক লাখ ১০ হাজার মানুষ। তবে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই আন্দোলনে প্রায় আট লাখ মানুষ অংশ নেয়।

এদিকে দুই বিশ্বযুদ্ধে অক্ষত থাকা ফ্রান্সের ঐতিহাসিক লিমোজ শহরের উনবিংশ শতাব্দীতে নির্মিত টাউন হল ভবনটি বিক্ষোভকারীদের দেওয়া আগুনে পুড়ে প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। শনিবার রাতে গণবিক্ষোভের সময় একদল মুখোশধারী ১৪৩ বছরের এই পুরোনো ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাটিতে অগ্নিসংযোগ করে।

প্যারিসের ১৯ বছর বয়সি বিক্ষোভকারী লোলা বলেন, আমরা লড়াই করছি। কারণ, জীবনযাত্রার খরচ অসহনীয় হয়ে উঠেছে, জ্বালানির দাম অনেক বেশি। সারা দেশে উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এসবের প্রতিবাদের পাশাপাশি আরো শিক্ষক ও ভালো শিক্ষার পরিবেশ চাইতে গিয়ে সহিংস হামলা এবং আঘাতের শিকার হচ্ছেন।

অনেক বিক্ষোভকারী উজ্জ্বল হলুদ রঙের নিরাপত্তা জ্যাকেট পরে সড়ক অবরোধ করেন। এতে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর আগের মেয়াদে বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলা ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনের স্মৃতি ফিরে আসে। মার্সেইয়ের মেয়র জানিয়েছেন, সিটি হল ভাঙচুর করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার পর শহরটিতে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠানো হচ্ছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জরাজীর্ণ অবকাঠামো, শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর চাপ, দীর্ঘ ও অতিরিক্ত পাঠসূচি, শিক্ষক-কর্মচারীর সংকট এবং পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাবে ক্ষুব্ধ ফ্রান্সের শিক্ষার্থীরা। তাদের আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগঠক ছাত্র ইউনিয়নের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস।

ফ্রান্সের তরুণ প্রজন্ম মনে করছে, সরকার তাদের বঞ্চিত করে বয়স্কদের সুবিধা বাড়াচ্ছে। অর্থাৎ, এখানে বয়স্কদের সঙ্গে তরুণদের একটা মুখোমুখি অবস্থান দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে দেশটির তরুণ জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ বেকার।

আবাসন সংকটের প্রতিবাদে স্পেনে বিক্ষোভ

ইউরোপের অন্যতম বয়স্ক জনসংখ্যার দেশ স্পেনেও পরিস্থিতি প্রায় একই। সম্প্রতি আবাসন সংকটের প্রতিবাদে দেশটিতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে নির্বাচনের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। আন্দোলনের সামনের সারিতে ছিলেন ৮৭ বছর বয়সি এক বাড়ির ভাড়াটে। অবশ্য এতে বিপুলসংখ্যক তরুণও যোগ দেন। কারণ, আবাসন সংকটের সবচেয়ে বড় চাপ পড়ছে তরুণদের উপর। স্পেনে যুবকদের প্রায় ২২ শতাংশ বেকার।

বেলজিয়ামে বিক্ষোভ

সরকারের ব্যয় সংকোচনের সিদ্ধান্তে পরিবারের খরচ বেড়ে যাওয়ায় বিক্ষোভে নেমেছেন বেলজিয়ামের শিক্ষার্থীরা। উচ্চশিক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে নিবন্ধন ফি বাড়ানোর বিরোধিতা থেকে শুরু হওয়া এ আন্দোলন পরে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।

গত শনিবার রাজধানী ব্রাসেলস ও লিয়েজে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। বেলজিয়ামের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বার্নার্ড কুইন্টিন এ ঘটনাকে ‘সমাজকে অস্থিতিশীল করতে পরিকল্পিত সহিংসতা’ বলে অভিহিত করেছেন। বিক্ষোভকারীদের তিনি ‘দাঙ্গাকারী’ বলেও অভিহিত করেন।

পর্তুগালে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, কম মজুরি ও সাশ্রয়ী আবাসন সংকটের প্রতিবাদে রাজধানী লিসবনে মিছিল করেছেন হাজারো মানুষ। লিসবনসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে ২০১৭ সালের পর থেকে বাড়ির দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। একই সময়ে নতুন ভাড়ার চুক্তিতে বাসাভাড়াও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

এতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছে তরুণ চাকরিজীবী ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো। তাদের মতে, সংকটটি শুধু বাড়ি কেনার সামর্থ্য না থাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; ক্রমবর্ধমান ভাড়ার কারণে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকাও দিনদিন দুঃসাধ্য হয়ে উঠছে।

পর্তুগালের আন্দোলনকারীরা এখন পর্যন্ত মজুরি, আবাসন ও পরিবারের দৈনন্দিন ব্যয় বহনের সামর্থ্য—এসব নির্দিষ্ট দাবিতেই তাদের আন্দোলন সীমাবদ্ধ রেখেছেন।

বিক্ষোভ ছড়িয়েছে ইতালিতেও

ইউরোপের অন্যান্য দেশের মতো জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় ইতালিতেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। মজুরি না বাড়া, মূল্যস্ফীতি এবং দৈনন্দিন খরচ মেটাতে হিমশিম খাওয়ার প্রতিবাদে মিলানে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। তবে ফ্রান্সের তুলনায় ইতালিতে ছোট পরিসরে বিক্ষোভ হয়েছে।

সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল আলবেনিয়া

এদিকে, সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানা। গত শনিবার টানা পঞ্চম দিনের মতো বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। শিক্ষার্থীসহ বিক্ষোভকারীরা সরকারি ভবন লক্ষ্য করে ইট-পাথর ও পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। রাবার বুলেট ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে। গত ১৩ অক্টোবর তিরানায় দেশটির শিক্ষামন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে আন্দোলন সহিংস হয়ে ওঠে।

প্রধানমন্ত্রী এদি রামার পদত্যাগ ও দুর্নীতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলন ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বর্জন করে আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দেশটির রাজনৈতিক শ্রেণি দুর্নীতিগ্রস্ত। অন্যদিকে, আন্দোলনের পেছনে বিরোধী দল ও বিদেশি শক্তির ইন্ধন রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী।

ভারতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

ভারতে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) কর্মসূচির আওতায় ভোটার তালিকা হালনাগাদে অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভে করছে বিরোধী দলগুলো। চলমান এই বিক্ষোভ কার্যত সরকারবিরোধী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। আন্দোলনের সম্মুখ সারিতে রয়েছে তরুণদের ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)।

জনসংযোগের বিষয়ে অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা সিজেপির নেতাদের কয়েকজন প্রকাশ্যে কংগ্রেস ও দলটির নেতা রাহুল গান্ধীর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। এর আগে মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদেও আন্দোলন করেছিল সংগঠনটি। ওই ঘটনায় শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। তবে ভারতের নির্বাচন কমিশন এসআইআর কর্মসূচি নিয়ে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে ‘নো কিংস’ আন্দোলন

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরোধিতাকারী ‘নো কিংস’ নেটওয়ার্কের উদ্যোগে দেশটির বিভিন্ন শহরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটারদের আগাম ভোটদানে উৎসাহিত করাই ছিল এসব কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

আয়োজকরা সমাবেশগুলোকে দলনিরপেক্ষ হিসেবে তুলে ধরেছেন। তবে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সিতে অসন্তুষ্ট মানুষের প্রায় দুই বছরের ‘নো কিংস’ পদযাত্রা ও বিক্ষোভের ধারাবাহিকতাকে আরো এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যও ছিল এসব কর্মসূচির।

আর্জেন্টিনায় বিক্ষোভ

আর্জেন্টিনায় চলতি সপ্তাহের শুরুতে উচ্চশিক্ষা খাতে ব্যয় কমানোর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। রাজধানী বুয়েনস এইরেসে প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের সরকারের শিক্ষা খাতে ব্যয় সংকোচনের প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ হয়। পার্লামেন্টের বাইরে হাজারো বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মচারী, ট্রেড ইউনিয়নকর্মী ও বিরোধী দলের সমর্থকরা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করেন। তবে মিছিল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মুখোশ পরা কয়েক ডজন বিক্ষোভকারী পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ও অন্যান্য বস্তু ছুড়লে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

২০২৩ সালের শেষদিকে মিলেই ক্ষমতা গ্রহণের পর শিক্ষা খাতে অর্থায়ন সংকটের প্রতিবাদে এটি ছিল পঞ্চম বিক্ষোভ। এর আগে একাধিক আদালতের রায়ে সরকারকে ২০২৫ সালের একটি আইন মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই আইনে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় বরাদ্দ বাড়ানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে তুরস্কে বিক্ষোভ

গত মাসে মূল্যস্ফীতির ধারাবাহিক চাপে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং অপর্যাপ্ত পেনশন ভাতার প্রতিবাদে তুরস্কে বিক্ষোভ করেছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা। রাজধানী আঙ্কারায় সাংবিধানিক আদালতের সামনে জড়ো হয়ে পেনশনভোগীরা মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকা এবং পরিবারের ন্যূনতম ব্যয় মেটানোর সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতের দাবি জানান।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...