স্থানীয় ভোট ঘিরে দূরত্ব জামায়াত-এনসিপির

স্থানীয় ভোট ঘিরে দূরত্ব জামায়াত-এনসিপির
আমার দেশ গ্রাফিক্স

জাতীয় নির্বাচনে একসঙ্গে পথ চললেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রধান দুই শরিক জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে। সমঝোতার বদলে এককভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্তে জোটের ঐক্য ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

জানা গেছে, স্থানীয় নির্বাচনে সমঝোতার প্রত্যাশা পূরণ না হওয়া এবং বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে এনসিপির অসন্তোষ এই দূরত্বের অন্যতম কারণ। সবশেষ জোটের লংমার্চে এনসিপির শীর্ষ নেতাদের অনুপস্থিতিও দুই দলের সম্পর্ক নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যদিও উভয়পক্ষই জোটে ভাঙনের আশঙ্কা নাকচ করেছে।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটিতে আলোচনা শুরু হলে এনসিপিসহ কয়েকটি দল জোটগতভাবে অথবা পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তাব দেয়। তবে জামায়াতসহ কয়েকটি দল এককভাবে নির্বাচনের পক্ষে অবস্থান নেয়। শেষ পর্যন্ত জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে আলাদাভাবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়।

জামায়াতের যুক্তি, অতীতে বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধভাবে জাতীয় নির্বাচন করলেও স্থানীয় নির্বাচনে দলগুলো আলাদাভাবে অংশ নিয়েছে। একই নীতি এবারও অনুসরণ করা হচ্ছে। তবে এই সিদ্ধান্তে এনসিপির মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। সমঝোতার আশা ছেড়ে দলটি ঢাকাসহ পাঁচটি সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করে নির্বাচনি প্রস্তুতি শুরু করে। পরে অবশ্য ঢাকার দুই সিটিতে প্রার্থী পরিবর্তন করে এনসিপি। যদিও এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্যের মাধ্যমে জামায়াত সংসদে ও রাজপথে গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করছে বলে দলটির নেতারা জানিয়েছেন।

এনসিপি নেতাদের একাংশ মনে করেন, বিগত জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতের সাংগঠনিক সহযোগিতা ও সমর্থন পেয়ে এনসিপির প্রার্থীরা ভালো ফল করেছিলেন। আগামী স্থানীয় নির্বাচনেও এ ধরনের সহযোগিতা বা সমর্থন পেলে ভালো ফল করা সম্ভব। এ কারণেই জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা করে নির্বাচনে আগ্রহী দলটি। কিন্তু জামায়াতের অনাগ্রহের কারণেই স্থানীয় নির্বাচনে জোটগত সমঝোতা হচ্ছে না।

অন্যদিকে জামায়াত নেতাদের বক্তব্য, জাতীয় নির্বাচনে আসন ছাড় দিতে গিয়ে তৃণমূলে দলটির সাংগঠনিক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। অনেক ত্যাগী প্রার্থীকে ছাড় দিতে

হয়েছে। স্থানীয় নির্বাচনেও সমঝোতা করলে পরিস্থিতি আরো জটিল হতে পারে। তাই তৃণমূলের সাংগঠনিক অবস্থান শক্তিশালী করতেই এককভাবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটির হাইকমান্ড।

এছাড়া সরকারি বিভিন্ন মহল থেকেও ১১ দলীয় ঐক্যে ভাঙন বা প্রধান দুটি দলের মধ্যে দূরত্ব বাড়ানোর নানা চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ আছে। তাছাড়া সরকারের সঙ্গে দল দুটির বর্তমান সম্পর্ক বা বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়েও পরস্পরবিরোধী অবস্থান বা সন্দেহ দেখা দিয়েছে। ১১ দলীয় ঐক্যের সবশেষ লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে এনসিপির অনুপস্থিতি এবং পরবর্তী বহর ও পথসভা-সমাবেশে শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণ না করার মধ্য দিয়ে তাদের দূরত্বের প্রশ্ন প্রকাশ্য রূপ নেয়। তবে বিশেষ কোনো কারণে কর্মসূচিতে অনুপস্থিতি, আলাদাভাবে নির্বাচন বা সরকারের কোনো ষড়যন্ত্র থাকলেও তা ১১ দলীয় ঐক্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছে উভয়পক্ষ।

জোটে ভাঙন দেখছে না শরিকরা

গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের মাধ্যমে জামায়াত ৬৮টি, এনসিপি ছয়টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং খেলাফত মজলিস একটি আসনে জয়ী হয়। পরে সংরক্ষিত নারী আসনে আরো ১৩টি আসন যুক্ত হয়। নির্বাচন-পরবর্তী ৭৭টি আসন নিয়ে সংসদে বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটটি। পরে সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের ৯টি, এনসিপির দুটি এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও জাগপার একটি করে মোট ১৩টি আসন যুক্ত হয়। বর্তমানে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বিরোধীদলীয় নেতা এবং এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের দায়িত্ব পালন করছেন।

সংসদে বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকার পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা কর্মসূচি পালন করছে ১১ দলীয় ঐক্য। এতে অন্য শরিকদের পাশাপাশি জামায়াত ও এনসিপির ঐক্য ও সুসম্পর্কই প্রকাশ পেয়েছে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে দল দুটির সম্পর্ক কোন দিকে গড়ায়, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

১১ দলীয় ঐক্য ও জামায়াতের বক্তব্য

১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ আমার দেশকে বলেন, অতীতে জামায়াত যখন বিএনপির সঙ্গে জোট করে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং সরকারের অংশীদার বা রাজপথের আন্দোলনে শরিক ছিল, তখনো স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে সবাই আলাদাভাবে অংশ নেয়। দেশের জোটগত রাজনীতির ইতিহাসে এমন রীতিই চলে আসছে। সে অনুযায়ী এবারও স্থানীয় নির্বাচনে দলগুলোর আলাদাভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে কোনো এলাকায় কোনো দলের প্রার্থী না থাকলে বা স্থানীয়ভাবে সমঝোতা হলে তাতে বাধা নেই। এতে ১১ দলীয় ঐক্য বা জামায়াত-এনসিপির সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এই ঐক্য অটুট থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে এনসিপি নেতাদের অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তারা জামায়াতকে কোনোকিছু জানায়নি। অবশ্য ওই লংমার্চের পরের সমাবেশগুলোতে এনসিপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন বলেও তিনি জানান।

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি রাশেদ প্রধান এ বিষয়ে আমার দেশকে বলেন, লিয়াজোঁ কমিটির আলোচনার পর শীর্ষ নেতারা স্থানীয় নির্বাচনে আলাদাভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর অর্থ জোটে ভাঙন নয়। গত ২৭ অক্টোবর ১১ দলের বৈঠক শেষে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকও একই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

দূরত্বের নেপথ্যে দুই কারণ এনসিপির

বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের ভূমিকা নিয়েও এনসিপির মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে। দলটির একাংশের অভিযোগ, জামায়াতে ইসলামী বিরোধী দলে থেকেও সরকারি দল বিএনপির সঙ্গে আপসকামী কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে। জামায়াতের বক্তব্য-বিবৃতিতে সরকার বা সরকারি দলের জনবিরোধী ইস্যুতে এক ধরনের কুসুম কুসুম বিরোধিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শক্ত ও জোরালো অবস্থান না নিয়ে জামায়াত নমনীয়তা বা শৈথিল্য দেখাচ্ছে। এনসিপি কার্যকর বিরোধী দলের ভূমিকা পালনে আগ্রহী হওয়ায় দুই দলের রাজনৈতিক কৌশলে পার্থক্য তৈরি হচ্ছে।

সম্প্রতি দলের কয়েকজন নেতার বক্তব্যেও বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। গত শনিবার যশোরে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের সমাবেশে জামায়াত নেতাদের উপস্থিতিতে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যেও এ অসন্তোষের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তোলার পরও পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর সঙ্গে বিএনপি প্রার্থীর সৌজন্য বিনিময়ের সমালোচনা করেন তিনি। যদিও ওই নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে গত শনিবার ঠাকুরগাঁওয়ে ও রোববার ঢাকায় বিক্ষোভ করে জামায়াত।

দ্বিতীয় কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিক হিসেবে এনসিপিকে ছাড় না দেওয়ার বিষয়টি। বিশেষ করে ঢাকায় একটিসহ একাধিক সিটিতে সমঝোতা চেয়েছিল এনসিপি। সে লক্ষ্যে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ চেষ্টাও চালায় এনসিপি। কিন্তু স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত এনসিপিও এককভাবে স্থানীয় সব নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। ঢাকার দুই সিটিতে প্রার্থী বদল করে তাদের পক্ষে শক্তভাবে মাঠে নেমেছেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা। তবে স্থানীয়ভাবে জোটের প্রার্থীদের মধ্যে সমঝোতার পথ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

অবশ্য এনসিপি নেতারা বলছেন, জাতীয় নির্বাচনে জোটগতভাবে অংশ নেওয়ায় এনসিপির একক শক্তি বোঝা যায়নি। এখন স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে তৃণমূলে দলের অবস্থান স্পষ্ট হবে। পাশাপাশি এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সারা দেশে দলের ভিত্তি আরো মজবুত হবে।

এনসিপি নেতাদের বক্তব্য

জামায়াত-এনসিপির অন্তরালের এই দূরত্ব প্রকাশ্যে দৃশ্যমান হয়ে উঠছে। সবশেষ গত শনিবার ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে এনসিপির কোনো নেতা অংশ নেননি। যদিও এর আগে জোটের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ও রংপুরÑদুই লংমার্চেই এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় অনেক নেতা অংশ নেন। এবারের লংমার্চ ছিল তার ব্যতিক্রম। দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা উদ্বোধনী সমাবেশে অংশ না নিলেও বহরে যুক্ত হন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব ও আব্দুল হান্নান মাসউদ, যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সাইফ মুস্তাফিজ ও ফরিদুল হক, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিন ইরাসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

তবে এনসিপি জামায়াত জোট ছাড়তে পারে বলে যে গুঞ্জন রটেছে, তা ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এনসিপির শীর্ষ নেতারা। তারা বলছেন, একাধিক ইস্যুতে দূরত্ব সৃষ্টি হলেও ১১ দলীয় ঐক্য ছাড়ছে না এনসিপি। জামায়াতের দিক থেকেও জোট ভাঙার চেষ্টা নেই বলে বিশ্বাস করেন তারা। বরং বিরোধী জোট ভাঙার জন্য সরকারি মহল চেষ্টা করছে বলে এনসিপি নেতারা জানিয়েছেন।

দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য সারোয়ার তুষার আমার দেশকে বলেন, এনসিপি ১১ দলীয় ঐক্যেই আছে। জোট ভাঙার গুঞ্জনের কোনো ভিত্তি নেই। সরকারের পক্ষ থেকে জোট ভাঙার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

গত রোববার এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীও বলেন, সংস্কার বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচারের প্রশ্নে জোটে কোনো দূরত্ব নেই। আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি। জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের সদস্যদের নিয়ে সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য একটি সম্প্রসারিত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াও চলছে। দ্রুত এই কমিটি মাঠে কাজ শুরু করবে।

তবে তিনি বলেন, এনসিপির নিজস্ব রাজনীতি ও বৈশিষ্ট্য রয়েছে। জোটে থাকলেও অন্য কোনো দলের নেতাদের সব বিষয়ে সমর্থন দেওয়ার রাজনৈতিক সংস্কৃতি তারা অনুসরণ করবেন না। সরকার কিংবা বিরোধী দলের কেউ ভুল করলে তার জবাবদিহি চাইবেন। তিনি মন্তব্য করেন, আমরা কোনো জোটের রাজনীতি করি না, কোনো বিরোধী দলের রাজনীতিও করি না।

নির্বাচনি প্রস্তুতিতে দুই দল

স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াত ও এনসিপি নিজস্ব প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে। জামায়াত ইতোমধ্যে সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ অনেকটা এগিয়ে নিয়েছে। গত ৪ অক্টোবর রাজধানীর এক অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং দক্ষিণে সাদিক কায়েমকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান ।

অন্যদিকে গত ২৯ মার্চ ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছিল এনসিপি। তবে পরে ঢাকার দুই সিটিতে প্রার্থী পরিবর্তন করে দলটি। গত ৩০ অক্টোবর ঢাকার দুই সিটিতে নতুন প্রার্থী ঘোষণা করেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এতে উত্তরে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...