বঙ্গোপসাগরের গভীরে জ্বালানি তেল ও গ্যাসসহ খনিজসম্পদ অনুসন্ধানে জোরালো পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। আগামী কদিনের মধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হবে। অর্থনৈতিকবিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটি ইতোমধ্যে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র আমার দেশকে এ তথ্য জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, সমুদ্র ও সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার, সংরক্ষণ ও উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির অপার সম্ভাবনা থাকলেও এ সংক্রান্ত নীতি ও কারিগরি দক্ষতার অভাবে বাংলাদেশ এতদিন তা কাজে লাগাতে পারেনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রের গভীরে তেল, গ্যাস ও অন্যান্য মূল্যবান খনিজ সম্পদের পাশাপাশি সমুদ্রসীমায় বিশাল মৎস্যভাণ্ডার রয়েছে। তবে, সরকারের দুর্বল নীতি ও কার্যকর উদ্যোগের অভাবে এতদিন তা পুরোপুরিভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। বরং বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা থেকে ভারত ও মিয়ানমারের জেলেরা জোর করে মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ার তথ্য রয়েছে বলেও জানান মেরিটাইম বিশেষজ্ঞরা। তবে, এবার এসবের অবসান হবে বলে মনে করেন সরকারের নীতি নির্ধারকরা। তাদের মতে, সমুদ্রসীমার সম্পদ পুরোপুরিভাবে কাজে লাগানোর বিষয়ে সরকার পদক্ষেপ নেবে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানে নতুন দরপত্র আহ্বানের বিষয়ে জ্বালানি বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, গত ৭ মে অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় ‘বাংলাদেশ অফশোর মডেল উৎপাদন বণ্টন চুক্তি (পিএসসি) ২০২৬’ অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপরই আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়া শুরু করে মন্ত্রণালয়। এর আগে কয়েক দফা উদ্যোগ নিলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতাসহ ভূরাজনৈতিক কারণে তা আলোর মুখ দেখেনি। সরকারের এবারের উদ্যোগ সফল হলে অফশোরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দুই দশকের বন্ধ্যত্বের অবসান ঘটবে বলে জানান জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার হচ্ছে নিজস্ব উৎপাদন বাড়িয়ে জ্বালানিতে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে আনা। বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের লক্ষ্যে কদিনের মধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানেরও কথা জানান তিনি। অপেক্ষার প্রহর শেষ হচ্ছে।
দুই দশক ধরে দেশে নতুন তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ বিষয়ে কার্যত সমীক্ষা ও টেকসই অনুসন্ধান হয়নি বলে দাবি করেছেন জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা। পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, ২০০৬ সালের পর দেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানের জোরালো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর ২০১০ সাল থেকে সীমিত আকারে গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করলেও অফশোর বা সমুদ্র এলাকা নিয়ে জোরালো কোনো উদ্যোগই নেওয়া হয়নি।
জ্বালানি অনুসন্ধান কার্যক্রমে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের অনীহাকে রহস্যজনক উল্লেখ করে এ খাতের বিশেষজ্ঞরা জানান, গ্যাস অনুসন্ধান ও নতুন সমীক্ষা না চালিয়ে দেশবাসীকে জিম্মি করে আওয়ামী লীগ সরকার জ্বালানি খাতে লুণ্ঠন কার্যক্রম চালিয়েছে। গ্যাস অনুসন্ধান বন্ধ রেখে ঘাটতি মেটাতে মাত্র আট বছরে দুই লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকার উচ্চমূল্যের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করতে হয়েছে। জ্বালানি আমদানিতে যতটা আগ্রহ দেখা গেছে, দেশে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে তেমন আগ্রহ চোখে পড়েনি।
জ্বালানি খাতকে আমদানিনির্ভরতা থেকে বের করে আনতে নতুন সরকারের নানামুখী উদ্যোগের মধ্যে সমুদ্র এলাকায় নতুন করে অনুসন্ধানের আওতায় আনা হয়েছে বলেও জানান সরকারের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের ব্যক্তিরা।
বিরোধ নিষ্পত্তির সুফল পায়নি বাংলাদেশ
সমুদ্রসীমা নিয়ে ২০১২ সালে ভারত ও ২০১৪ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ার সুফল ঘরে তুলতে পারেনি বাংলাদেশ। বিপরীতে ভারত ও মিয়ানমার তাদের চিহ্নিত এলাকায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধান করে বড় ধরনের মজুত পেয়েছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে সমুদ্রকে ২৬টি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে গভীর সমুদ্রে ১৫টি এবং অগভীর সমুদ্রে ১১টি ব্লক রয়েছে। এর আগে ২০০৮ সালে পিএসসির আওতায় ২০১০ সালে গভীর সমুদ্রে দুটি ব্লকে অনুসন্ধানের জন্য মার্কিন কোম্পানি কনোকোফিলিপসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তারা দ্বিমাত্রিক (টুডি) জরিপ চালিয়ে গ্যাসের দাম নির্ধারণের বিষয়ে তৎকালীন সরকারের সঙ্গে আলোচনায় যায়। সরকারের সঙ্গে দরকষাকষিতে বনিবনা না হওয়ায় ২০১৫ সালে অনুসন্ধান কাজ বন্ধ করে চলে যায় তারা।
মার্কিন কোম্পানিকে বিদায় দিয়ে ২০১২ সালে করা পিএসসির অধীনে ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল-গ্যাস কোম্পানি অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস করপোরেশন লিমিটেডকে (ওএনজিসি) সমুদ্রের দুটি ব্লকে তেল-গ্যাসের অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও উৎপাদনের দায়িত্ব দেয়। একই সময় অপর দুটি ব্লকে অনুসন্ধানের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সান্তোস ও সিঙ্গাপুরের ক্রিস এনার্জির সমন্বয়ে গঠিত যৌথ কোম্পানিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এছাড়াও ২০১৬ সালে সমুদ্রের অপর দুটি ব্লকে গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য সরকার দক্ষিণ কোরিয়ার পস্কো দাইয়ু নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করে। এক পর্যায়ে এ দুটি প্রতিষ্ঠানও অনুসন্ধান কার্যক্রম গুটিয়ে বাংলাদেশ থেকে চলে যায়।
পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, ২০১৪ সালে চুক্তিবদ্ধ হলেও ভারতের ওএনজিসি কাজ শুরু করে ২০১৯ সালে। তারা একটি কূপে গ্যাস না পাওয়ার কথা জানায় এবং অপর কূপটি খনন না করেই চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগের বছর থেকে এলএনজি আমদানিরও সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
পেট্রোবাংলার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ২০১৯ সালে নতুন পিএসসি করা হলেও সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়নি। এরই মধ্যে সমুদ্রে নরওয়ে ও ফ্রান্সের যৌথ কোম্পানি টিজিএস অ্যান্ড স্লামবার্জার বহুমাত্রিক ভূকম্পন জরিপ চালিয়ে গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানায়। এরপর ২০২৩ সালে নতুন করে মডেল পিএসসি করা হলে গভীর সমুদ্রের ১৫ ব্লকে গ্যাস অনুসন্ধানে আগ্রহের কথা জানিয়ে সরকারকে প্রস্তাব দেয় মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি এক্সনমবিল। তবে তাদের এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তৎকালীন সরকার।
কর্মকর্তারা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতন ও পলায়নের পর সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে নতুন করে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে সাড়া দিয়ে সাতটি বহুজাতিক কোম্পানি দরপত্র কিনলেও সরকারের সংক্ষিপ্ত মেয়াদের মধ্যে কেউ জমা দেয়নি। এ বিষয়ে জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, দরপত্র আহ্বান ও জমা দেওয়াসহ যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করতে দেড় থেকে দুবছর সময় লেগে যায়। এ কারণে অন্তর্বর্তী সরকার এটি নিয়ে জোরালো কোনো পদক্ষেপও নেয়নি। আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোও নির্বাচিত ও গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব নেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষায় ছিল। এখন দরপত্র আহ্বানের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
দ্রুত কমছে দেশীয় উৎপাদন
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুত ২৯ দশমিক ৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে গত বছর পর্যন্ত ২২ দশমিক ১১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে। অবশিষ্ট আছে সাত দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। দৈনিক এক হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস সরবরাহ করা হলে ওই অবশিষ্ট গ্যাসে আনুমানিক ১২ বছর সরবরাহ করা সম্ভব হবে। নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হলে এক যুগ পর বাংলাদেশ প্রাকৃতিক গ্যাসশূন্য হয়ে যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশ ভূখণ্ডে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের ১০০ বছরের ইতিহাসে ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। আর অনুসন্ধান কূপ খনন করা হয়েছে মাত্র ১০১টি।
আশাবাদী সরকার
জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের নীতি হচ্ছে জ্বালানিতে স্বনির্ভর হওয়া। আমরা অভ্যন্তরীণ সূত্র থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করে মজুত বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছি।
জ্বালানি খাতকে আমদানিনির্ভর করায় পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমদানি করে অর্থ লুটপাটের উদ্দেশ্যেই দেশে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করেছে আওয়ামী লীগ।
এ বিষয়ে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান এরফানুল হক আমার দেশকে বলেন, গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম বাড়াতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আমরা ১৮০ দিনের স্বল্পমেয়াদি ও তিন বছরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছি। আশা করি ভালো ফল আসবে।
দেশের স্থলভাগ ও গভীর-অগভীর সমুদ্রে দ্রুত গ্যাস অনুসন্ধানে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক শিক্ষক এবং জ্বালানি ও টেকসই উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন। তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার বিগত সরকার তাদের ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য অতি উচ্চমূল্যের এলএনজি ও তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করেছে। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে এলএনজি আমদানি কমিয়ে দেশে গ্যাস অনুসন্ধান বাড়াতে জোরদার পদক্ষেপ নিতে হবে।
বিশাল সমুদ্রের এক-তৃতীয়াংশেও পৌঁছতে পারেনি বাংলাদেশ
এদিকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সামুদ্রিক অর্থনীতিতে বিশাল সম্ভাবনার বিবেচনায় আমরা অনেক পিছিয়ে। সামুদ্রিক সম্পদ কতটা মজুত, সেটি নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো জরিপ হয়নি। সুনীল অর্থনৈতিক এলাকার এক-তৃতীয়াংশও অন্বেষণ করতে পারিনি। গভীর সমুদ্রে দূরে থাক, এর এক-তৃতীয়াংশ এলাকার পর আর যাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি বাংলাদেশ। অথচ এটা আমাদের অর্থনীতির জন্য খুবই জরুরি।
মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের পরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী এক গবেষণাপত্রে লিখেছেন, গভীর সমুদ্রে আমাদের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। টুনা ও টুনাজাতীয় মাছ সাগরের যে এলাকায় বিচরণ করে আমরা সেখানে এখনো যেতে পারিনি। আমাদের সে জায়গায় যেতে হবে। সমুদ্র ঘিরে শিল্প গড়ে তুলতে হবে। মাছের ভ্যালু অ্যাডেড পণ্য তৈরি করে সেগুলো রপ্তানি শৃঙ্খলে আনতে হবে। বায়োটেকনোলজি, ফার্মাকোলজির মতো শিল্প গড়ে তুলতে হবে। সি-উইন্ড ও মাছ থেকে বিশ্বের অনেক দেশে ওষুধ ও কসমেটিকস তৈরি হচ্ছে। এখানেও আমাদের সুযোগ রয়েছে।
সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির পরও বাংলাদেশ মৎস্য সম্পদ আহরণে মিয়ানমার ও ভারত থেকে অনেক পিছিয়ে। একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশ যেখানে সাত লাখ ছয় হাজার টন সামুদ্রিক মাছ আহরণ করতে সক্ষম হয়েছে। একই সময়ে ভারত ৪১ লাখ ২৭ হাজার টন আর মিয়ানমার ৩২ লাখ ৯৫ হাজার টন মাছ আহরণ করেছে। সমুদ্রকে আগামীর অর্থনীতির মূল কেন্দ্র করতে হলে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি সুনীল অর্থনীতিকে একটি অথরিটির মাধ্যমে পরিচালিত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের মধ্যে সংযোগ বাড়ানোর কথা বলেন মৎস অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

