শরীফুল ইসলাম ইন্না, সিরাজগঞ্জ

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই সিরাজগঞ্জে নির্বাচনি প্রচারে গতি এসেছে। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। হাটবাজার ও চায়ের দোকানে নির্বাচনের আলোচনা তুঙ্গে। সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে মূলত বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে। তবে একটি আসনে জাতীয়

ড্রেনেজ, অবকাঠামো, স্যানিটেশনসহ সার্বিক উন্নয়নবঞ্চিত ও জরাজীর্ণ সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী এনায়েতপুরহাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই হাটের মধ্যে হাঁটুপানি জমে যায়।

হাসিনার দুঃশাসনে সিরাজগঞ্জে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীরা বিভীষিকাময় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। নেতাকর্মীদের হত্যা, তাদের বিরুদ্ধে হামলা-মামলা ছিল প্রতিদিনের ঘটনা। বাড়িঘর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বুড়ি পোতাজিয়া এলাকায় জীববৈচিত্র্যের আধার চলনবিল ধ্বংস করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। পতিত শেখ হাসিনা সরকারের নেওয়া প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই বিল হত্যার আয়োজন করছে।

উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জ জেলা রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থীরা মিছিল-সমাবেশ, পথসভা, ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা এবং মোটরসাইকেল শোডাউন করছেন।

‘যারা অন্যায়ভাবে আমাকে গুলি করে পঙ্গু করে দিয়েছে, আমি তাদের শাস্তি চাই। আমার পঙ্গুত্বের জীবন অনেক কষ্টের। যে অঙ্গ হারিয়েছে, কেবল সে-ই বোঝে অঙ্গ হারানোর কী বেদনা।