Abdullah al Mujahid

‘জিও ব্যাগ ফেলার কাজগুলো যদি উজান থেকে করত, তাহলে আজ এভাবে ভাঙত না। তারা ভাটি থেকে কাজ শুরু করেছিল। যে জায়গায় জিও ব্যাগ ফেলার কথা, সে জায়গায় না ফেলার দরুন এই ভাঙন।’ হঠাৎ দুধকুমারের এমন আগ্রাসী রূপ দেখে হতবাক স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল আউয়াল।

দীর্ঘ এই রেলপথের কোথাও কোনো পাথর নেই। বেশিরভাগ স্লিপার অর্ধপচা এবং সেগুলো মাটির নিচে দেবে আছে। কিছু কিছু জায়গায় স্লিপারের নিচের মাটিও সরে গেছে। দুই লাইনের মধ্যবর্তী স্থান মাটি আর ঘাসে ঢাকা। পাথরের বদলে পুরো রেলপথটি মাটির ওপর বিছানো। এমন ঝুঁকির মধ্যেই প্রতিদিন নিয়মিত ট্রেন চলাচল করছে।

চিকিৎসক, কর্মচারী এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা। ২৫০ শয্যার এই হাসপাতালে ১৭৭ জন চিকিৎসকের চাহিদা থাকলেও মাত্র ১৮ জন চিকিৎসক দিয়ে চলছে এর কার্যক্রম। ফলে প্রায়ই রোগী ও তাদের স্বজনদের অসন্তোষের মুখে পড়তে হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।