নাঈমা ইসলাম

আমাদের সন্তানেরা, যারা পুরোনো ২০২৫ সালে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল লাভ করতে পারেনি, তাদের মনোজগৎ আজ হয়তো কিছুটা ভারী, কিছুটা হতাশ আর ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছুটা শঙ্কিত। কিন্তু মনে রাখতে হবে, একটি খারাপ রেজাল্ট কোনো মানুষের পথের শেষ নয়; বরং নতুন পথ খুঁজে পাওয়ার শুরু।

সন্তানের সার্বিক বিকাশে সাধারণ জ্ঞান, এক্সট্রা কারিকুলার কার্যক্রম, বিতর্ক ও শিল্পচর্চার গুরুত্ব অস্বীকার করার সুযোগ নেই। আর এসব দক্ষতা অর্জনের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা থাকে বাবা-মা ও শিক্ষকের। শিশুর শেখার আগ্রহ জাগানো, তার প্রতিভা চিহ্নিত করা এবং সেগুলোকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজন ধারাবাহিক নির্দেশনা।

বর্তমান সময়ের দ্রুত পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান দিয়ে সন্তানকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব নয়। একজন শিশুর সার্বিক বিকাশের জন্য প্রয়োজন পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের পাশাপাশি সাধারণ জ্ঞান এবং মানসিক, সামাজিক ও শারীরিক বিকাশ।

‘খেলা’ শব্দটি অতি সাধারণ মনে হলেও শিশুদের সামগ্রিক বিকাশে খেলার ভূমিকা অপরিহার্য। তাই ‘খেলা’ শব্দটিকে একদমই হেলাফেলা করা উচিত নয়। শিশুদের সব ধরনের বিকাশের প্রধান সহায়ক হিসেবে কাজ করে এই ‘খেলা’। খেলাধুলা শিশুদের জ্ঞান-বুদ্ধি, সামাজিক, শারীরিক ও মানসিক বিকাশে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

বয়ঃসন্ধিকাল মানে এক ধরনের সন্ধিক্ষণ—একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সময় বা রূপান্তরের ধাপ (a transitional phase)। সাধারণভাবে শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার মাঝামাঝি সময়টাকেই বয়ঃসন্ধিকাল বলা হয়। এই সময়টার ব্যাপ্তি ‘World Health Organization’-এর হিসাবমতে ১০ থেকে ১৯ বছর।