সুমাইয়া ইয়াসমিন সুম্মু

ঘরে বা অফিসে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে গিয়ে প্রায় সবাই একসময় এই প্রশ্নের মুখোমুখি হন—ইন্টারনেট ক্যাবল ভালো, নাকি ওয়াই-ফাই? ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, স্মার্টফোন, স্মার্ট টিভি—সব ডিভাইসই এখন ইন্টারনেটনির্ভর। কিন্তু সংযোগের ধরন বদলালে গতি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তায় বড় পার্থক্য তৈরি হয়। বাহ্যিকভাবে দুটোই ইন্টারনেট

অনেক সময় আমরা মনে করি কম্পিউটার ধীর চলছে। বারবার হ্যাং হচ্ছে বা ভাইরাস আক্রান্ত। সমস্যা নিশ্চয়ই কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারে। কিন্তু সত্য হলো, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সমস্যার মূল লুকিয়ে থাকে অপারেটিং সিস্টেমের ভেতরে। এ কারণে ব্যবহারকারীরা প্রায়ই প্রশ্ন তোলেন—উইন্ডোজ আর লিনাক্সের মধ্যে কোন সিস্টেমে মেইনটেন্য

স্মার্টফোন আজ শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়। ব্যাংকিং, ব্যবসা, সামাজিক যোগাযোগ, কেনাকাটা থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত মুহূর্ত, সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু। আর এই অসংখ্য সুবিধার মধ্যেই অদৃশ্য এক ঝুঁকি দিন দিন বড় হচ্ছে। অ্যাপ পারমিশনের ফাঁদ।

বর্তমান স্মার্ট যুগে ব্লুটুথ ছাড়া জীবন কল্পনা করা কঠিন। তারবিহীন হেডফোন, স্পিকার, স্মার্টওয়াচ কিংবা গাড়ির অডিও সিস্টেম—সব জায়গায় ব্লুটুথ এখন অপরিহার্য সংযোগের মাধ্যম। কিন্তু আমরা অনেকেই সহজ ব্যবহারের জন্য এটি সবসময় অন রাখি, যা একদিকে সুবিধাজনক হলেও অন্যদিকে অজানা এক বিপদের দরজাও খুলে দেয়।

আমরা অনেকেই কম্পিউটার বা স্মার্টফোন ব্যবহার করি। কিন্তু একটি সাধারণ নোটিফিকেশনকে বারবার এড়িয়ে যাই, ‘সফটওয়্যার আপডেট available।’ এমন নোটিফিকেশন এলেও অনেক সময় ব্যস্ততার কারণে, কখনো আবার ডেটা খরচ বা সময় বাঁচানোর জন্য আমরা আপডেট দিতে চাই না। কিন্তু জানেন কি, এই অবহেলার ফল হতে পারে ভয়াবহ?

প্রযুক্তির এই যুগে প্রতিদিন যে দুটি ডিভাইস সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করি, তা হলো কী-বোর্ড ও মাউস। অফিসের কাজ, পড়াশোনা, ডিজাইনিং, প্রোগ্রামিং কিংবা অনলাইন বিনোদন—সবকিছুতেই এই ডিভাইস দুটি আমাদের অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, আমরা যতটা যত্ন নিই ল্যাপটপ বা মনিটরের, তার অর্ধেকও দিই না কী-বোর্ড

শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত মানুষ আজ বিকাশ, নগদ কিংবা রকেটের মতো মোবাইল ওয়ালেট ব্যবহার করছে। ব্যাংকের এটিএম বুথ কিংবা অনলাইন কেনাকাটাতেও ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড হয়ে উঠেছে অপরিহার্য। তবে সুবিধার পাশাপাশি বেড়েছে প্রতারণা আর সাইবার অপরাধের ঝুঁকি। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ অনলাইনে বা মোবাইলের

আপনার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান স্মৃতি, কাজের ডকুমেন্ট, অফিসের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কিংবা প্রিয় সিনেমার সংগ্রহ—সবই হয়তো সযত্নে রাখা আছে কম্পিউটারের ভেতরে ছোট্ট এক যন্ত্রে অর্থাৎ হার্ডডিস্কে। দেখতে সাধারণ হলেও এটি যেন ডেটার বিশাল ভান্ডার। কিন্তু যদি একদিন হঠাৎ করেই হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে যায়? তখন বোঝা যায়

আজকের স্মার্টফোননির্ভর জীবনে অ্যাপ আমাদের দৈনন্দিন কাজকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। কেনাকাটা, পড়াশোনা, ব্যাংকিং ও বিনোদন—সবকিছুর জন্যই আমরা স্মার্টফোনের অ্যাপ ব্যবহার করি। সবকিছুই এখন আঙুলের এক স্পর্শে। কিন্তু এই সুবিধার ভেতরেই লুকিয়ে আছে এক ভয়ংকর ফাঁদ। ফেক বা ভুয়া অ্যাপ।

ডিজিটাল কনটেন্টের এই যুগে ভিডিও বানানো যতটা সহজ। তার চেয়ে কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে উপযুক্ত ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক খোঁজা। কারণ ইন্টারনেট থেকে যেকোনো গান ডাউনলোড করে ব্যবহার করলেই তা কপিরাইট লঙ্ঘনের আওতায় পড়ে। ইউটিউব, ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে এমন সংগীত ব্যবহার করলে ভিডিও demonetize হতে পারে।

একসময় তথ্য-উপাত্ত খোঁজার মানেই ছিল কিওয়ার্ড টাইপ করা। আর এখন? কেবল ক্যামেরা তুলুন, আর বাকি কাজ করবে দেবে প্রযুক্তি। আপনি রাস্তায় হেঁটে যাচ্ছেন। হঠাৎ চোখে পড়ল অচেনা এক ফুল, নাম জানেন না। কেবল ফোনের ক্যামেরা দিয়ে ছবিটা তুলুন।

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে হলে প্রথমেই সঠিক প্ল্যাটফরম বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কিছু জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস নিয়ে আলোচনা করা হলো।