গাজীপুরের কাপাসিয়া থানা পুলিশের এক সফল অভিযানে উপজেলার চাঞ্চল্যকর বিধবা নারীকে (৩৭) গণধর্ষণ মামলার প্রধান ও ১ নম্বর আসামি মিলনকে (৫৩) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত শুক্রবার উপজেলার ত্রিমোহনী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আসামি মিলন উপজেলার পেওরাইট গ্রামের শামসুদ্দিন ও মিনারা দম্পতির ছেলে।
এর আগে গত ১৫ জুন বিকেলে মিলন ওই নারীকে সিঙ্গাপুর পাঠানোর প্রলোভনে পাসপোর্টসহ কাপাসিয়ার তারগাঁও মেডিকেল মোড়ে যেতে বলেন। সন্ধ্যায় তিনি সেখানে পৌঁছালে তাকে একটি অটোরিকশায় তুলে নির্জন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে আগে থেকে উৎপেতে থাকা আরও কয়েকজনের সঙ্গে মিলে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী আহত অবস্থায় রাতভর বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেন এবং পরদিন সকালে বাড়ি ফিরে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। পরে কিছুটা সুস্থ হয়ে তিনি থানায় উপস্থিত হয়ে দুইজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী জীবিকার সন্ধানে বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় কাপাসিয়ার পেওরাইট এলাকার মিলন (৫৩) নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। মিলন তাকে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে ক্লিনার ভিসায় চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন এবং এর জন্য তিন লাখ টাকা দাবি করেন।
কাপাসিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নাসির আহমেদ জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক ভাবে মামলা নেয়া হয়। ভুক্তভোগী নারীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত প্রধান আসামি মিলনকে গ্রেপ্তারে করা হয়েছে। বাকীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

