খাগড়াছড়ির গুইমারায় মারমা সম্প্রদায়ের এক বিধবা নারীকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাম থেকে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভিকটিমের প্রাথমিক ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, গত ১৩ জুন গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম কুকিছড়া এলাকার ভিকটিমকে (৩০) বড়ইতলী গ্রামের বাসিন্দা ম্রাচাই মারমা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার নাম করে চট্টগ্রাম নিয়ে যায়। ঐ দিন দিবাগত রাতে তাকে হাটহাজারীর একটি এলাকায় নিয়ে একটি বাসায় ওঠেন ম্রাচাই মারমা। পরে সেখানে চারজন মিলে গণধর্ষণ করে ভিকটিমকে।
ভিকটিমের ছোট ভাই জানান, ম্রাচাই মারমা তাদের পাশের গ্রামের বড়ইতলী এলাকার বাসিন্দা। সে তার বোনকে চাকরি দেওয়ার নাম করে চট্টগ্রাম নিয়ে গেছে। চাকরি না দিয়ে হাটহাজারীতে নিয়ে গিয়ে কয়েকজন মিলে ধর্ষণ করেছে। এ বিষয়ে মামলা করার কথাও জানান ভিকটিমের ছোট ভাই।
কুকিছড়া গ্রামের পাড়াপ্রধান (কারবারী) চাইহ্লাপ্রু মারমা জানান, অভিযুক্ত ম্রাচাই মারমাকে বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশে দেওয়ার জন্য আটক করেছে এলাকাবাসী।
খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক রিপল বাম্পি জানান, ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। শরীরের কোথাও জখমের চিহ্ন নেই। শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল আছে।
এ বিষয়ে গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোহরাওয়ার্দী জানান, কুকিছড়া এলাকায় ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রামবাসী আটক করে থানা নিয়ে আসার কথা জেনেছি। যদি থানা নিয়ে আসে আর মামলা করে, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নিয়ে আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

