পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ছেলের শিলপাটার আঘাতে বাবা উত্তম দেবনাথের (৬০) মৃত্যু হয়েছে । বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার পূর্ব সুবিদখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত উত্তম দেবনাথ পেশায় একজন দিনমজুর। তিনি দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের পূর্ব সুবিদখালী গ্রামের মৃত মহেন্দ্র দেবনাথের ছেলে।
অভিযুক্ত ছেলের নাম তাপস দেবনাথ (৩০)। তিনি প্রায় আট বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন। শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ তাপসকে গ্রেপ্তার করেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোশারফ হোসেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার রাতে খাবার খেয়ে উত্তম দেবনাথ ও তার ছেলে তাপস দেবনাথ বসত ঘরের একই রুমে ঘুমিয়ে যান। উত্তম দেবনাথের স্ত্রী কানন দেবনাথও বারান্দায় (পিছনের রুম) ঘুমিয়ে পড়েন। হঠাৎ ঘুমের মধ্যে রাত চারটার দিকে তাপস দেবনাথ শিলপাটা দিয়ে তার বাবা উত্তম দেবনাথের কপালের ওপর আঘাত করেন।
এতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। বিষয়টি টের পেয়ে বারান্দায় ঘুমিয়ে থাকা স্ত্রী কানন দেবনাথ ডাক চিৎকার দিলে বাড়ির আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করেন।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি তৌহিদুজ্জামান বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনাস্থল হতে অভিযুক্ত তাপস দেবনাথকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

