ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন কেন্দ্র করে কুমিল্লা-৯ আসনের লাকসাম-মনোহরগঞ্জে সর্বত্র প্রচার-প্রচারণা জমজমাট হয়ে উঠেছে। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা ও কানাঘুষা অব্যাহত রয়েছে। এবার দ্বিমুখী লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। এই আসনে এবার ত্রিমুখী লড়াই হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।
জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবার এই আসনে প্রার্থীরা হচ্ছেন—বিএনপির একক প্রার্থী আবুল কালাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ড. সৈয়দ একেএম সরওয়ার উদ্দিন সিদ্দিকী, ইসলামিক ফ্রন্ট প্রার্থী আলহাজ মীর আবু বকর এবং ইসলামী আন্দোলন (চরমোনাই পীর) প্রার্থী আলহাজ সেলিম মাহমুদ। তারা প্রত্যেকেই ভোটারদের মন জয়ের জন্য গণসংযোগে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী সামিরা আজিম দোলা বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে গেছেন। এতে বিএনপি প্রার্থীর বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভোটাররা মনে করছেন।
লাকসাম-মনোহরগঞ্জে বিএনপির প্রার্থী মো. আবুল কালাম বলেন, ‘আমি আশাবাদী, ইনশাআল্লাহ বিজয় আমার হবে।’ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঘোষিত একক প্রার্থী ড. সৈয়দ একেএম সরওয়ার উদ্দিন সিদ্দিকী বলেন, ‘ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন করার জন্য সার্বিকভাবে আমি প্রস্তুত। লাকসাম-মনোহরগঞ্জবাসী এবার পরিবর্তন চায়।’ জনগণের রায়ে তিনি বিজয়ী হবেন বলে আশা করছেন।
লাকসামে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. সৈয়দ একেএম সরওয়ার উদ্দিন সিদ্দিকী বলেছেন, ‘লাকসাম-মনোহরগঞ্জের মানুষের সেবা করার সুযোগ চাই।’ নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হবেন বলে আশাবাদী। শুক্রবার সন্ধ্যায় লাকসাম স্টেডিয়ামে তার সমর্থনে নির্বাচনি জনসভা হয়েছে। এতে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
ইসলামিক ফ্রন্ট প্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও দানবীর আলহাজ মীর মো. আবু বকর বলেন, ‘আমি আগের সংসদ নির্বাচনেও নির্বাচন করেছি। আমি আশা করি, এবার জনগণ আমাকে ভোট দেবে।’ ইসলামী আন্দোলন (চরমোনাই পীর) প্রার্থী আলহাজ সেলিম মাহমুদ বলেন, ‘আমি মাঠে আছি, নির্বাচনি কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।’ লাকসাম পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আলহাজ মজির আহমদ বলেন, ‘লাকসাম-মনোহরগঞ্জ বিএনপির ঘাঁটি। এ আসনটি বিএনপির। ধানের শীষের প্রার্থী ইনশাআল্লাহ বিজয়ী হবে।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

