কুড়িগ্রাম জেলার চর রাজিবপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের বালিয়ামারী ও রৌমারী উপজেলার লাঠিয়াল ডাঙ্গা সড়কের জিনজিরাম নদীর ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকোটি একমাত্র ভরসা সীমান্তবাসীর।
এর ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীসহ ১০ গ্রামের ১৫ হাজারেরও অধিক মানুষ। উৎপাদিত কৃষিপণ্য আনা-নেওয়ায় গুনতে হয় বাড়তি খরচ কৃষকদের। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চললেও দেখার যেন কেউ নেই। দুর্ভোগ কমাতে এ জায়গায় একটি সেতু নির্মাণের দাবি সীমান্তবাসীর।
সরেজমিনে দেখা গেছে, চর রাজিবপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের বালিয়ামারী ও রৌমারী উপজেলার যাদুর চর ইউনিয়নের লাঠিয়াল ডাঙ্গা সড়কের বালিয়ামারী খেয়াঘাট নামক এলাকায় জিনজিরাম নদীর ওপর একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। সাঁকোটির অবস্থা নড়বড়ে হয়ে পড়েছে । প্রায় ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের এ সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হয় বয়োবৃদ্ধ ও শিশু শিক্ষার্থীরাও। উৎপাদিত কৃষিপণ্য মাথায় করে পার হয়।
আলগার চর গ্রামের আমির আলী বলেন, বাঁশের এ সাঁকো দিয়ে এ অঞ্চলের বয়স্ক মানুষ, স্কুল, কলেজগামী শিক্ষার্থী ও রোগীদের দুর্ভোগের শেষ নেই। নিরুপায় হয়ে মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছেন। অনেক সময় সাঁকোর খুঁটি ও মাচা ভেঙে ঘটে দুর্ঘটনা।
বালিয়ামারী বিশিষ্ট ঠিকাদার শাহজাহান আকুল জানান, সেতু নির্মাণ না হওয়ায় উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত টাকা খরচ এবং ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এ এলাকার কৃষকরা ।
রাজিবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইলিয়াস জানান, এলাকার মানুষের কষ্টের কথা বিবেচনা করে সেতুর আশু প্রয়োজন।
চর রাজিবপুর উপজেলা প্রকৌশলী সৌরভ কুমার সাহা বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সেতুটির জন্য তালিকা দিয়েছিলাম। নতুন সরকার আসছে। আবার সেতুটির জন্য তালিকা পাঠাব।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

