ঢাকার কেরানীগঞ্জে জুনায়েদ হোসেন (১৭) নামের এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার সকালে বাস্তা ইউনিয়ন পরিষদের পাশে স্থানীয়রা মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দিলে কোনাখোলা পুলিশ ফাঁড়ি ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত জুনায়েদ হোসেন বাস্তা ইউনিয়নের রাজাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা মো. মনির হোসেন ওরফে মনু মিয়ার ছেলে। তার বড় ভাই তুহিন বাস্তা ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। জুনায়েদ স্থানীয় বোয়ালি এলাকার শেখ মেটাল কারখানার শ্রমিক ।
প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন। পরের দিন গতকাল রোববার সকালে বাস্তা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে তার গলা কাটা মরদেহ পাওয়া যায়।
নিহত জুনায়েদ হোসেনের বড় ভাই তুহিন জানান, গত ঈদুল ফিতরের ছুটিতে রাজাবাড়ি গার্ডেন পার্কে ঘুরতে যাওয়া এক নারীকে উত্ত্যক্ত করায় রুহিতপুর ইউনিয়নের ধর্মসুর এলাকা থেকে আসা কিছু যুবকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় জুনায়েদের। এর প্রতিবাদ করায় উত্ত্যক্তকারীদের সঙ্গে তার ও তার বন্ধুদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরবর্তী সময়ে সেই যুবকরা দেশীয় অস্ত্র হাতে কয়েকটি মোটরসাইকেলে এসে জুনায়েদের বাড়ির পাশে মহড়া দেয়। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা সমাধানে পৌঁছায়নি।
তার ধারণা, পূর্ববিরোধ ও শত্রুতার জেরেই পরিকল্পিতভাবে জুনায়েদকে হত্যা করা হতে পারে ।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

