পটুয়াখালীতে ভুয়া সেনা কর্মকর্তা সেজে প্রতারণা, যুবকের কারাদণ্ড

পটুয়াখালীতে ভুয়া সেনা কর্মকর্তা সেজে প্রতারণা, যুবকের কারাদণ্ড

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় নিজেকে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তরুণীদের সঙ্গে প্রতারণা করার অভিযোগে আব্দুল জলিল (২২) নামে এক যুবককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বিজ্ঞাপন

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাকে আটকের পর এ দণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল জলিল কুয়াকাটা পৌর এলাকার ইনছান আলীর ছেলে।

পুলিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহিপুর থানার এসআই মাসুদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল কুয়াকাটার ‘হোটেল মারওয়া’য় অভিযান চালায়। এ সময় হীরা আক্তার (১৬) নামের এক কিশোরীকে নিয়ে হোটেলের একটি কক্ষ ভাড়া নেওয়ার সময় জলিলকে আটক করা হয়। অভিযানের সময় তার স্ত্রী মোসা. তামান্না (২০)ও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগ রয়েছে, জলিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে নিজেকে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন তরুণীর সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলতেন। পরবর্তীতে তাদের হোটেলে নিয়ে যেতেন। এর আগেও একই ধরনের একাধিক প্রতারণামূলক ঘটনায় তার জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে ভুক্তভোগী কিশোরী হীরা আক্তার ও তার বাবা মনির খান (৪০) আদালতে সাক্ষ্য দেন। অভিযোগ ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। পরে দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৭০ ধারায় আব্দুল জলিলকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক বলেন, সরকারি কর্মকর্তা, বিশেষ করে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে কাউকে বিভ্রান্ত করা বা প্রতারণা করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ঘটনায় প্রাপ্ত অভিযোগ ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন