মাগুরা থেকে সকালে ব্যাংক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম সপরিবারে রাজশাহী যাওয়ার পথে নাটোরে একটি ট্রাকের সঙ্গে তাদের বহনকারী বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শহিদুল ইসলাম ও তার মেয়ে তাসফিয়া (৮) নিহত হন।
নিহত শহিদুল ইসলামের বাড়ি পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মির্জাগঞ্জ গ্রামে। তিনি মাগুরা জেলায় ব্র্যাক ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
দুর্ঘটনায় শহিদুল ইসলামের স্ত্রী রুবিনা বেগম ও ছেলে লাবিব (১১) গুরুতর আহত হয়েছেন। রুবিনা বেগম পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী পূবালী ব্যাংক শাখায় কর্মরত আছেন। তাদের উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে নাটোরের একটি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নিহত শহিদুল ইসলামের ছোট ভাই হিরন হাওলাদার জানান, পূজার ছুটিতে তারা রাজশাহীতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। এ সময়ের সড়ক দুর্ঘটনায় বড় ভাই শহিদুল ইসলাম ও ভাতিজি তাসফিয়া মারা গেছেন। বুধবার সকাল ১০টায় নিজ বাড়িতে জানাজা শেষে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, নিহতের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনরা বাবা ও মেয়ের লাশ নিয়ে গেছেন।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

