বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবিরের ওপর ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও দুই দিনেও পুলিশ মামলা গ্রহণ করেনি বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী চেয়ারম্যান।
বুধবার রাত ৯ টায় তার নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করে তিনিননিজের ও পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হুমায়ুন কবির বলেন, গত ৯ মার্চ সোমবার তিনি ভিজিডি কার্ডের চাল বিতরণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদারের নেতৃত্বে দুষ্কৃতকারীরা মব সৃষ্টি করে পরিকল্পিতভাবে তার উপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে মারধর করে গুরুতর আহত করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
তিনি জানান, এ ঘটনায় তিনি ১০ মার্চ মঙ্গলবার বাকেরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও পুলিশ অদ্যাবধি মামলা এজাহার কিংবা হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এ ঘটনায় তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান আরো বলেন, আমি একজন জনপ্রতিনিধি হওয়া সত্ত্বেও আজ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যে কোনো সময় আমার উপর আবারও হামলা হতে পারে। এমনকি হামলাকারীরা বুধবার (১১ মার্চ) কথিত মানববন্ধন করে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ ভাষায় তার বিরুদ্ধে বক্তব্য প্রদান করে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এমনকি হামলাকারীরা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার তার ছবি ব্যঙ্গ করে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ব্যানার টাঙ্গিয়ে রেখেছে।
লিখিত বক্তব্য ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, হামলাকারীরা তার ওপর হামলা চালিয়ে ও মারধর করেই ক্ষান্ত হয়নি। বুধবার বেলা ১২টার সময় বিএনপি নেতা সোহেল সিকদারের নেতৃত্বে ৪০-৫০ ভাড়াটে লোকজন ইউনিয়ন পরিষদের সামনে মহড়া দিয়ে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল ও খুন জখমের হুমকি দেয়। পুলিশের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমি যদি হত্যা, গুম কিংবা বড় কোন ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হই তার জন্য বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ দায়ী থাকবে।
হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা এজাহার করে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানান।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

