ভোলায় কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ উপড়ে পড়ে উপজেলা সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে উপজেলা প্রশাসন ক্যাম্পাসসহ আশপাশের কয়েক হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
শনিবার (২ মে) বিকেলে বৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ে এ ঘটনা ঘটে। ঝড়ে ভোলা সদর উপজেলা প্রশাসন ভবনের সড়ক ও ক্যাম্পাস এলাকায় একযোগে ৬-৭টি গাছ উপড়ে পড়ে। ফলে সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সংযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে বড় বড় রেইনট্রি গাছের গোড়ার মাটি নরম হয়ে পড়ে। এরই মধ্যে হঠাৎ ঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলা সড়ক ও ক্যাম্পাস এলাকায় ৭-৮টি রেইনট্রি ও নারকেল গাছ উপড়ে যায়।
এর ফলে ভোলা শহরের সঙ্গে উপজেলার যোগাযোগসহ পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়া ও তার ছিঁড়ে যাওয়ায় পুরো এলাকায় অন্ধকার নেমে আসে।
ঝড়ে সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের মুসাকান্দি এলাকায় একটি বসতঘর গাছের নিচে চাপা পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া বাপ্তা মন্দিরের ছাউনি উড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
৩-৪ ঘণ্টার চেষ্টায় সংশ্লিষ্ট বিভাগ আংশিকভাবে পথচারীদের চলাচলের উপযোগী করতে সক্ষম হয়েছে। তবে যান চলাচল এখনও স্বাভাবিক হয়নি।
ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান বলেন, “কালবৈশাখী ঝড়ে সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে, তবে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হতে আরও ২-৩ দিন সময় লাগতে পারে।”
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে উদ্ধার ও সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

