চরফ্যাশনে নজরুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষকে শোকজ

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি

চরফ্যাশনে নজরুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষকে শোকজ

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম শাহাবুদ্দিনকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিস দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

বিজ্ঞাপন

​মঙ্গলবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কলেজ শাখা-৩ (বেসরকারি কলেজ) থেকে এই নোটিস জারি করা হয়। মাউশির সহকারী পরিচালক মো. মাহিন উদ্দিন স্বাক্ষরিত এই নোটিসে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ই-রিকুইজিশনে প্রয়োজনীয় শিক্ষার্থী না থাকা সত্ত্বেও ‘গার্হস্থ্য অর্থনীতি’ বিষয়ে প্রভাষক পদে ভুল চাহিদা পাঠানোর অভিযোগে আনা হয়।

​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এনটিআরসিএর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ই-রিকুইজিশনে শূন্য পদের চাহিদা পাঠাতে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম কাম্য শিক্ষার্থী থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম কলেজে ডিগ্রি (পাস) পর্যায়ে ‘গার্হস্থ্য অর্থনীতি’ বিষয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী না থাকা সত্ত্বেও নিয়মবহির্ভূতভাবে শিক্ষক পদের চাহিদা পাঠানো হয়।

​পরবর্তীতে মাউশির আঞ্চলিক কার্যালয় কর্তৃক তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিষয়টি ভুল চাহিদা হিসেবে ধরা পড়ে। একই সঙ্গে যাচাইয়ের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ না করায় কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, এনটিআরসিএর ই-রিকুইজিশনে ভুল তথ্য প্রদান এবং যাচাইয়ের জন্য সময়মতো প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ না করার মাধ্যমে সরকারি বিধিমালা ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা লঙ্ঘিত হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর এমন ভুল চাহিদার কারণে একদিকে যেমন প্রশাসনিক বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে ভুল পদে কোনো প্রার্থী নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হলে পরবর্তীতে এমপিওভুক্তির (MPO) ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তির শিকার হন।

​মাউশির এই কারণ দর্শানোর নোটিস প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ বলেন,​ আমি হাতে কোনো নোটিস পাইনি, অনলাইনে দেখেছি। নোটিস হাতে পেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দেব।

এমই

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...