‘আমার এতটুকু ছেলে, তার কী দোষ ছিল? সে কী অন্যায় করেছিল যে তাকে এভাবে মেরে ফেলা হলো? আমি তো কুমিল্লায় শুধু চাকরি করতে এসেছি, এটাই কি আমার অপরাধ? আমি এখন কী নিয়ে বাঁচব?’
শনিবার বিকেলে স্থানীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর কাছে এ আকুতি জানান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম।
এদিকে কুবির শিক্ষিকার এই সন্তান হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে মায়ের আইফোনটি হাতে নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে বের হয় অপ্রতিম। এরপর থেকে তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। সন্তান নিখোঁজের পর শিক্ষিকা নাহিদা বেগম শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
জিডির পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রযুক্তির সহায়তায় ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে আইফোনের সর্বশেষ অবস্থান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সামাজিক বনায়ন এলাকায় শনাক্ত করে। পরবর্তীতে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কের পেছনের সানন্দা এলাকার একটি পাহাড়ি টিলা থেকে অপ্রতিমের লাশ উদ্ধার করা হয়।
জেডএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

