আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

গুজব ও অপতথ্য মোকাবিলায় সাংবাদিকদের বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে: এম আবদুল্লাহ

চট্টগ্রাম ব্যুরো

গুজব ও অপতথ্য মোকাবিলায় সাংবাদিকদের বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে: এম আবদুল্লাহ
চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণে বক্তব্য রাখছেন বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. আব্দুল্লাহ।

বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. আবদুল্লাহ বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। এই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পতিত ফ্যাসিস্ট আর দেশের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা ভিনদেশি দালালরা তৎপরতা বাড়াবে। তাই গুজব ও অপতথ্য মোকাবিলায় দেশের পক্ষে সাংবাদিকদেরই বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে।

বিজ্ঞাপন

সোমবার সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, আধুনিক সাংবাদিকতায় নতুন অনুসঙ্গ মাল্টিমিডিয়া সেক্টর বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তাই মোজো সাংবাদিকদের লাইভ করার ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। একটি ভুল তথ্য গোটা দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। ফলাফল সংক্রান্ত রিপোর্ট করার ক্ষেত্রে একাধিক সোর্স থেকে ক্রস চেক করা সাংবাদিকতার প্রথম পাঠ। প্রয়োজনে একটু দেরিতে হলেও সঠিক তথ্য সরাবরাহে গুরুত্ব দিতে হবে। একটি ভুল তথ্য পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলতে পারে। পতিত ফ্যাসিস্ট শক্তি ও তাদের প্রভুরা গুজব ও অপতথ্য ছড়িয়ে নির্বাচন ভণ্ডুল করতে চাইবে।

এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের সতর্কতা জরুরি। গণভোটে হ্যাঁ রায় না আসলে নির্বাচন-উত্তর সংকট আরো গভীর হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন এম আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের সংবাদ তুলে ধরার পাশাপাশি গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে জনমত গঠন করাও সাংবাদিকদের অন্যতম দায়িত্ব।

অনুষ্ঠানে সভাপ্রধানের বক্তব্যে পিআইবি মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ বলেন, গত ১৫ বছরে দেশের পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, জাতীয় মসজিদের ইমামকেও পালিয়ে যেতে হয়েছিল। তিনি জানতেন, তিনি অপরাধ করেছেন। এই বাস্তবতা থেকেই বোঝা যায়, রাষ্ট্র ও সমাজে কতটা ভয়ংকর ও দমনমূলক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, সেই সময় সাংবাদিকতাকেও একটি নির্দিষ্ট ধারায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, যেখানে একদিকে ছিল প্রিয় অভিভাবক, অন্যদিকে সাংবাদিকতার স্বাধীন সত্তা ক্রমে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছিল। দুঃখজনকভাবে, আমরা এখনও সেই প্রিয় অভিভাবকের অভ্যাস পুরোপুরি ত্যাগ করতে পারিনি। এখনো পুরোনো অভ্যাসের প্রতিফলন দেখা যায়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজ উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের আয়োজনে আলাদা একটি অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগের ১৫ জন অসচ্ছল সাংবাদিকের মাঝে সহযোগিতার চেক বিতরণ করেন এম আবদুল্লাহ।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...