কুমিল্লার চান্দিনায় দেশীয় অস্ত্রসহ পাঁচ ডাকাতকে গণপিটুনি দিয়ে আটক করেছে এলাকাবাসী। এ সময় আরো ৩ থেকে ৪ জন ডাকাত পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
শনিবার সকাল সাড়ে ৬টায় দিকে উপজেলার কুটুম্বপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এসময় স্থানীয়রা ডাকাতদের মালামাল ও ব্যবহৃত পিকআপ নিয়ে যায়।
আটক ডাকাতরা হলো- কুমিল্লার বাঙ্গরা থানার টনকি গ্রামের মো. ফারুক মিয়া ও বাহাদুর মিয়া, কাশিমপুর গ্রামের মনির হোসেন, মোল্লা গ্রামের রবিউল ইসলাম এবং চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার গ্রামের মোহন বেপারী।
পুলিশ ডাকাতদের উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়ার সময় চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এসময় ডাকাতদের কাছ থেকে স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন, পিকআপ ভ্যান নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডাকাতি শেষে একটি পিকআপ ভ্যানে করে বেপারোয়া গতিতে পালিয়ে যাচ্ছিল ডাকাত দল। সকালের দিকে চান্দিনা এলাকায় একটি যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দেয় । এতে স্থানীয়রা পিকআপটিকে ব্যারিকেড দিয়ে আটকায়।
উত্তেজিত জনতা তাদেরকে পিটুনি দেয় । পরে খবর পেয়ে চান্দিনা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় একাধিক দায়িত্বশীল ব্যাক্তি জানায়, ডাকাতরা যে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ডাকাতি করে পালাচ্ছিল, সকালে তাদেরকে আটকের পর মানুষের ভিড় থেকে কয়েকজন স্থানীয় প্রভাবশালী যুবক তা লুট করে নিয়ে যায়।
চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মো. আতিকুর রহমান জানান-ঘটনাস্থলে গিয়ে এবং তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের পর জানতে পারি তারা আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য। ডাকাতের কাছ থেকে লুটে নেয়া মালামাল উদ্ধার করা যায়নি, তবে রাতে পিকআপভ্যান উদ্ধার করা হয়েছে।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

