দুর্নীতির মামলায় সাবেক পুলিশ সার্জেন্টের ৩ বছর কারাদণ্ড

দুর্নীতির মামলায় সাবেক পুলিশ সার্জেন্টের ৩ বছর কারাদণ্ড

দুর্নীতির মামলায় বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক সার্জেন্ট বেলায়েত হোসেনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৮৯ লাখ ২৭ হাজার ৭৪২ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইনের একটি ধারায় আরো ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। এ কারণে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

দুদকের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. রেজাউল করিম রনি। মামলায় দুদকের পক্ষে ১০ জন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক সার্জেন্ট বেলায়েত হোসেন বর্তমানে ব্যবসা করেন। তার স্থায়ী ঠিকানা নোয়াখালীর সুধারাম উপজেলার নোয়ান্নাই গ্রামে। চট্টগ্রামের হালিশহর হাউজিং এস্টেটেও তার ঠিকানা ছিল।

দুদকের মামলার অভিযোগে জানা যায়, পুলিশের চাকরির সময় দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন করেন বেলায়েত হোসেন। তিনি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ৯৮ লাখ ১ হাজার ৩০৭ টাকার সম্পদ অর্জন এবং সম্পদ বিবরণীতে ৬৫ লাখ ৮৩ হাজার ১৭৯ টাকার সম্পদ গোপন করেন। এ ঘটনায় ২০০৯ সালের ২০ জুলাই হালিশহর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

মামলার এজাহারে বাদী ছিলেন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২-এর তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. মনজুর আলম। দুদকের অনুসন্ধানে বেলায়েত হোসেনের নামে ১ কোটি ৫১ লাখ ৬১ হাজার ৪৬৩ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ পাওয়া যায়। তবে তিনি দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে নিজের নামে ৮৫ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৪ টাকার সম্পদ দেখিয়েছিলেন।

এজাহারে আরও বলা হয়, বেলায়েত হোসেনের বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয় ছিল ১ কোটি ৩৭ লাখ ৬৮ হাজার ৮৪৭ টাকা। তাঁর নামে পাওয়া সম্পদ ও আয়কর নথিতে ঘোষিত ৮৪ লাখ ৮ হাজার ৬৯১ টাকা ব্যয় মিলিয়ে মোট সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ৭০ হাজার ১৫৪ টাকা। বৈধ আয়ের তুলনায় তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯৮ লাখ ১ হাজার ৩০৭ টাকা।

এমই

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন