লক্ষ্মীপুরের চারটি সংসদীয় আসনের ৪৯৬ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২১৫টিকে অতি-গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) ও ১৯৮টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেলা পুলিশ। ভোট কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে ২১৮টি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলা চারটি সংসদীয় আসনের ৫ উপজেলায় ৬টি থানায় মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪৯৬টি। এসব কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ’-এই তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১৫টি কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র আছে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায়।
এর মধ্যে সদর থানায় মোট ১২২টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮৬টি অতি গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ), গুরুত্বপূর্ণ ১৬টি, সাধারণ ২০টি কেন্দ্র এবং চন্দ্রগঞ্জ থানায় ৭৭ টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪০ টি অতি গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ), গুরুত্বপূর্ণ ২১টি এবং সাধারণ কেন্দ্র ১৬টি।
এছাড়া,কমল-নগর থানায় ৫৫ টি কেন্দ্রের মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ ১৬টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩৬টি ও সাধারণ কেন্দ্র ৩টি, রায়পুর থানায় ৮২টি কেন্দ্রের ২৬টি অতি-গুরুত্বপূর্ণ, ৪৭টি গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ কেন্দ্র ৯টি, রামগঞ্জ থানায় ৯৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩০টি অতি গুরুত্বপূর্ণ, ৬৩টি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে। এ থানায় ১টিও সাধারণ কেন্দ্র চিহ্নিত করা যায়নি। এবং রামগতি থানায় ৬৭টি কেন্দ্রের মধ্যে অতি-গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি, গুরুত্বপূর্ণ ১৫টি এবং ৩৫টি কেন্দ্র সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলার অতি-গুরুত্বপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত সকল কেন্দ্রে ভোটের দিন সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে সিসি ক্যামেরা স্থাপন একটি ভিন্নধর্মী উদ্যোগ। এ পর্যন্ত ৪৯৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ২১৮টি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ ২১৫টি কেন্দ্র রয়েছে।
বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে বাকী সবগুলো কেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা স্থাপন সম্পন্ন করা হবে বলে জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও এডিএম মো. মেজবা উল আলম ভূঁইয়া।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনা করে কেন্দ্রগুলোকে অতি গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ), গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অতি গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বাড়তি পুলিশ সদস্যসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে। এ ছাড়া অতিরিক্ত নজরদারি থাকবে পুলিশের। এসব কেন্দ্রে পুলিশের বডি অন ক্যামেরা থাকবে। যার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কন্ট্রোল রূম থেকে ওই সব কেন্দ্রের পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যাবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

