জাতীয় নির্বাচনের ঢামাঢোলে পড়ে রমজান শুরুর আগেই কক্সবাজার পর্যটন শিল্পে খরা দেখা দিয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশ ছুটির ফাঁদে পড়লেও কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল গুলোতে তেমন কোনো বুকিং নেই।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কক্সবাজারের ৫ শতাধিক আবাসিক হোটেল গুলোতে ১০ শতাংশের কম বুকিং রয়েছে। তবে পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অঘটন না ঘটে না ঘটে সেদিকে লক্ষ্য করে পর্যটকদের ভোটের আগে কক্সবাজার আসার বিষয়ে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।
কক্সবাজারের মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল হিলভিউর ম্যানেজিং পার্টনার রহমত উল্লাহ জানান, তাদের হোটেলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাত্র ১০-১২টি কক্ষ বুকিং রয়েছে। নির্বাচনের কারণে পর্যটকের খরা দেখা দিয়েছে।
তারকা মানের আবাসিক হোটেল কক্স টুডে হোটেলের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) আবু তালেব বলেন, আমাদের হোটেলে দুই শতাধিক রুম রয়েছে। কিন্তু বুকিং রয়েছে মাত্র ২০-২৫টি। নির্বাচনের কারণে পর্যটক সংখ্যা কমে গেছে।
আরেক তারকা মানের হোটেল সায়মানের অ্যাসিস্ট্যান্ট ফিনান্সিয়াল কন্ট্রোলার আসাদুজ্জামান নূর বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাত্র ৫০টি রুম বুকিং রয়েছে। এদের মধ্যে আবার বিদেশি পর্যটক। তবে দেশীয় পর্যটক কম রয়েছে।
কক্সবাজার হোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, কক্সবাজারের ৫ শতাধিক আবাসিক হোটেলে মাত্র ৫ হাজারের মতো বুকিং রয়েছে।নির্বাচনকে সামনে রেখে পর্যটকদের কক্সবাজার আসতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। হোটেল মালিকদের সংগঠন গুলোর পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
কাশেম সিকদার বলেন, সামনে আমাদের জাতীয় নির্বাচন। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে আমাদের সবার সহায়তা করা দরকার।
প্রসঙ্গত, কয়েকদিনের ছুটি মিললেই কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল নামে। কিন্তু এবার নির্বাচন ঘিরে দেশে ছুটি মিললেও পর্যটকের দেখা মিলছে না।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

