সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা–২ (হোমনা–তিতাস) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিন খানের গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে। হোমনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিনকে প্রধান আসামি করে ২১৫ জনের নামে মামলা করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. জহিরুল হক জহর বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হোমনা থানার ওসি (তদন্ত) দীনেশচন্দ্র দাস গুপ্ত।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মতিন খান, জহিরুল হক জহর চেয়ারম্যানসহ নেতাকর্মীদের একটি গাড়িবহর উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামে মরহুম ইঞ্জিনিয়ার আবদুল জলিল চেয়ারম্যানের কবর জিয়ারত করতে যাচ্ছিলেন। পথে হোমনা ওভারব্রিজের নিচে পৌঁছালে বিএনপির একদল নেতাকর্মী গাড়িবহরের পথ রোধ করে। অভিযোগ রয়েছে, তারা দেশি অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় এবং জহর চেয়ারম্যানের গাড়ি ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় অন্তত ১৫-২০ জন আহত হন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে হোমনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিন খান বলেন, ২২ জানুয়ারি বিকেলে ইঞ্জিনিয়ার আবদুল জলিল চেয়ারম্যানের কবর জিয়ারত করতে যাচ্ছিলাম। হোমনা ওভারব্রিজের নিচে পৌঁছালে বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। জহর চেয়ারম্যানের গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং আমাদের নেতাকর্মীরা আহত হন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থীর গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

