ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে-৩০০ আসনে রাজনৈতিক সমীকরণ দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে তৈরি হওয়া নাটকীয়তা কাটিয়ে সাময়িক নীরবতার পর ফের নির্বাচনি মাঠে সক্রিয় হয়ে উঠেছে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি জোটের নেতাকর্মীরা।
নির্বাচনি প্রচারণার শুরুতে জামায়াতে ইসলামীর একটি সুসংগঠিত অবস্থান থাকলেও জোটের পক্ষ থেকে হঠাৎ এনসিপি প্রার্থী ঘোষণা করা হলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছিল। ক্ষোভ ও হতাশায় জামায়াত সমর্থিত কর্মীরা প্রচার-প্রচারণা থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিলে জোটে স্থবিরতা নেমে আসে। তবে গত দুদিন ধরে সেই চিত্র পাল্টেছে।
সোমবার বান্দরবান পৌর এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। মান-অভিমান ভুলে তারা ফের মাঠে নামায় জোটের নির্বাচনি প্রচারণা নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে।
এনসিপি মনোনীত প্রার্থী এস এম সূজা উদ্দিন নির্বাচনি মাঠে সক্রিয় থাকলেও ভোটারদের মাঝে তাকে নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সাধারণ ভোটারদের একাংশ তাকে ‘বহিরাগত’ হিসেবে দেখছেন, যা তার জন্য আস্থা অর্জনের পথে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিজের বলয়ের বাইরে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে তিনি হিমশিম খাচ্ছেন বলে স্থানীয় বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও জামায়াত-এনসিপি জোটের প্রার্থী এস এম সূজা উদ্দিন দমে যাননি। তিনি তার ব্যক্তিগত যোগ্যতা এবং আধুনিক বান্দরবান গড়ার নানামুখী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন।
বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, পর্যটন শিল্পের আধুনিকায়ন, শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তার নির্বাচনি ঘোষণা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

