বৈরী আবহাওয়ায় নোয়াখালী-ঢাকা ট্রেন চলাচল অচলাবস্থা

জেলা প্রতিনিধি, নোয়াখালী

বৈরী আবহাওয়ায় নোয়াখালী-ঢাকা ট্রেন চলাচল অচলাবস্থা

বৈরী আবহাওয়ায় নোয়াখালীর রেলপথে সৃষ্টি হয়েছে অচলাবস্থা। ঝড়ের তাণ্ডবে রেললাইনের বিভিন্ন স্থানে গাছ ভেঙে পড়ায় ঢাকার সঙ্গে নোয়াখালীর ট্রেন চলাচল সাময়িক বন্ধ হয়। ভোগান্তিতে পড়ে শত শত যাত্রী। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) গভীর রাতে জেলা শহর মাইজদীসহ বিভিন্ন এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হয়। এতে একাধিক স্থানে রেললাইনের ওপর গাছ পড়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয়রা জানান, সকালে নোয়াখালীর সোনাপুর থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি পথে বাধার সম্মুখীন হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট পর সোনাপুর থেকে ছেড়ে ধীরগতিতে এগোয়। একাধিক স্থানে গাছ সরিয়ে ট্রেনটি মাইজদী কোর্ট স্টেশনে পৌঁছালেও দীর্ঘ সময় সেখানে অবস্থান করতে হয়। পরে লাইন পরিষ্কার হলে ট্রেনটি চৌমুহনীর দিকে রওনা দেয়। তবে সামনের পথ পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত না হওয়ায় অনিশ্চয়তা থেকেই যায়।

ট্রেনের চালক রফিকুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন স্থানে এখনো গাছ পড়ে থাকায় যাত্রাপথ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে এবং নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পৌঁছানো সম্ভব না-ও হতে পারে। অপ্রত্যাশিত এই বিলম্বে যাত্রীগন ভোগান্তিতে পড়েন।

নোয়াখালী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. আসাদুজ্জামান দুপুর ১২টার সময় বলেন, রেলওয়ে ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সকাল থেকেই গাছ অপসারণে কাজ করেন। সকাল ৬টা নির্ধারিত সময় থাকলেও ৭টা ৪০ মিনিটে সোনাপুর থেকে ছেড়ে যায় ট্রেনটি। তারপর মাইজদী কোর্ট স্টেশনেও কিছু সময় বিলম্ব হয় লাইনের ওপর গাছ পড়ে থাকায়।

এদিকে চৌমুহনী স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ নোমান দুপুর ১২টার সময় জানান, লাইনের ওপর গাছ পড়ে থাকায় এগুলো অপসারণ করে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতে বিলম্ব হয়। চৌমুহনী থেকে ৮টা ৪০ মিনিটে ট্রেনটি কুমিল্লার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। অন্যদিনের চেয়ে ঢাকায় পৌঁছাতে আজ দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় বিলম্ব হতে পারে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন