কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী বাজার ইজারার অনুমোদন থাকলেও নির্ধারিত সীমানার বাইরে মরাগাছতলা নামক স্থানে ইজারার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, বালুখালী বাজার পর্যন্ত ইজারা কার্যকর থাকার কথা থাকলেও মরাগাছতলা, ময়নাঘোনা এবং আশপাশের এলাকায়ও একইভাবে টাকা আদায় করা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, এপিবিএন চেকপোস্ট-সংলগ্ন এলাকায় প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছেন ফোরকান চৌধুরীর ছোট ভাই সাইফুল এবং যুবদল পরিচয়দানকারী খালেক নামের এক ব্যক্তি। তারা নির্দিষ্ট হারে টাকা আদায় করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
তবে অভিযুক্তদের দাবি, তারা বৈধভাবে বাজার ইজারা নিয়েছেন এবং নিয়ম অনুযায়ীই টাকা সংগ্রহ করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের কাছ থেকে ইজারার নামে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত টাকার চেয়ে বেশি আদায় করা হচ্ছে। টাকা না দিলে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়।
এ বিষয়ে ইজারাদার ফোরকান চৌধুরী বলেন, বালুখালী বাজার ইজারা নিয়ে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী টাকা আদায় করা হচ্ছে৷ যারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে, তারা ষড়যন্ত্র করছে৷
তবে সাধারণ ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ইজারার নির্ধারিত সীমানা বালুখালী খেলার মাঠ পর্যন্ত হলেও বর্তমানে ময়নাঘোনা ও ক্যাম্পের ভেতরেও চাঁদা আদায় করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, পালংখালী ইউনিয়নের ময়নাঘোনা থেকে এপিবিএনের রাস্তার মাথা পর্যন্ত ৫ আগস্টের পর অলৌকিক ক্ষমতা ব্যবহার করে একাধিক স্থানে চাঁদাবাজি চলছে। দ্রুত এসব চাঁদাবাজকে রুখে দিতে হবে।
এ বিষয়ে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা বলেন, বাজার ইজারার নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে খাজনা আদায় করতে পারবে না৷ যদি কেউ এমন কাজ করে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

