কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া পর্যটক মোহাম্মদ সায়েমের (২২) লাশ ২১ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার সকালে উখিয়ার রেজুখালে ভাসমান অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, শনিবার দুপুরে ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হন মোহাম্মদ সায়েম। তিনি চট্টগ্রামের হাটহাজারী এলাকার মোহাম্মদ ইকবালের ছেলে।
সায়েমের বন্ধু মো. আরমান জানান, শনিবার সকালে তারা দুই বন্ধু বান্দরবান থেকে কক্সবাজার যান। দুপুরে ইনানী সৈকতের দক্ষিণ পাশে জেটিঘাটসংলগ্ন (পালংকী রেস্তোরাঁর সামনে) সৈকতে গোসলে নামেন তারা। হঠাৎ বড় একটি ঢেউয়ের ধাক্কায় সায়েম গভীর সাগরের দিকে ভেসে যান।
আরমান বলেন, নির্জন সৈকতে তখন লাইফগার্ড, পুলিশ কিংবা তেমন লোকজনের উপস্থিতিও ছিল না। পরে তিনি চিৎকার ও কান্নাকাটি শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। এরপর স্থানীয় জেলে, বিচ কর্মী এবং পরে ফায়ার সার্ভিস এসে তল্লাশি শুরু করে।
ইনানীস্থ টুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক গাজী আতাউর রহমান বলেন, সায়েম ও আরমান দুই বন্ধু সকালে বান্দরবান থেকে কক্সবাজার পৌঁছান। দুপুরে মোটরসাইকেল নিয়ে দুই বন্ধু ইনানী সৈকতে পৌঁছে জেটিঘাট এলাকায় গোসলে নামেন। এ সময় সায়েম নিখোঁজ হলেও অপর বন্ধু আরমান প্রাণে রক্ষা পান।
তিনি জানান, শনিবার ফায়ার সার্ভিস, বিচ কর্মী, লাইফগার্ড, কোস্টগার্ড, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলেদের সহযোগিতায় কয়েকটি ইঞ্জিন নৌকা নিয়ে সাগরে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। কিন্তু সন্ধ্যা পর্যন্ত সায়েমের খোঁজ মেলেনি। গোসলের সময় সাগরে ভাটা চলছিল বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের বিচ কর্মীদের ইনচার্জ বেলাল উদ্দিন বলেন, রোববার সকালে রেজুখালে একটি লাশ ভাসছে খবর পেয়ে সবাই ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। সেখানে লাশটি দেখে সায়েমের বলে শনাক্ত করেন তার বাবা মোহাম্মদ ইকবাল।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

